Friday, August 29, 2014

শিয়া সম্প্রদায় কি আসলেই মুসলমান?

ইসলাম একটি ধর্ম ও একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। ইসলামে নেই কোনও মত পার্থক্য ও বিভেদ। নির্দিষ্ট কোনও শ্রেণী বা গোত্রে বিভক্ত হওয়ার মাঝে কোনও কল্যাণ নেই। বিশ্বের সকল মুসলমানদের এক আল্লাহ ও রসূলের অনুসারে একটি সম্মিলিত জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত থাকার কথা। কিন্তু বাস্তব পরিপ্রেক্ষিত ভিন্ন। বিভিন্ন ধর্মীয় মতবাদ ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে মুসলমানদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানান মত-পার্থক্য। নানা দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে মুসলমানরা আজ দ্বিধাগ্রস্ত। মুসলমানদের মধ্যে নানা দল--উপদল সৃষ্টির কারণ হিসেবে দায়ী করা যায়রাজনৈতিক মতবাদধর্মীয় মতবাদ ও সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি। বর্তমান বিশ্বে মুসলমানদের মধ্যে যে সকল দল-উপদল রয়েছে শিয়া সম্প্রদায় তাদের মধ্যে অন্যতম। তাই  আজকের আলোচ্য বিষয় শিয়াদের উত্থান ও তাদের মতাদর্শ সম্পর্কে।

শিয়া মতবাদকি?
সাহাবায়ে কেরামের কাল থেকেই মুসলীম উম্মাহর মধ্যে শিয়ানামক একটা দল সৃষ্টি হয়ে মুসলীম উম্মাহর ঐক্য ও সংহতির ক্ষেত্রে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করে রেখেছে। মৌলিকভাবে শিয়া একটি বিভ্রান্ত দলের নাম। এদের মধ্যে অনেক দল-উপদল রয়েছে। প্রথমদিকে এ ফেরকাটি সৃষ্টির পেছনের কারণ রাজনৈতিক হলেও পরবর্তীতে ইসলামের মৌলিক আকিদা বিশ্বাসের ঠিক বিপরীত ধ্যান-ধারণা দ্বারা প্রচারিত হয়েছে। তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান(রাঃ)এর শাসনামলে আবদুল্লাহ ইবনে সাবা নামক ইয়েমেনের এক ইহুদী পণ্ডীত মুসলমানদের ছদ্মবেশে মদিনায় এসে মুসলমানদের মধ্যে দলাদলীর সৃষ্টি করে। কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার পর আবদুল্লাহ ইবনে সাবার দলটিই শিয়া আন্দোলনকেএকটি ধর্মীয় ফেরকায় রূপান্তর করে। শিয়া মতবাদহলো মূলতঃ ইহুদী মতবাদের দ্বিতীয় সংস্করন। ইসলামের প্রতি এক বিদ্বেষী মতবাদের নামই হলো শিয়া মতবাদ। শিয়া আকিদা যদি সত্যি হয় তবে ইসলাম হবে মিথ্যা। আর ইসলাম যদি সত্যি হয় তবে শিয়া মতাদর্শের বাতুলতা সম্পর্কে সন্দেহ থাকার অবকাশ নেই।
শিয়া মতবাদউৎপত্তির মূলে
শিয়ানে আলী বা আলী (রাঃ)এর প্রতি নিবেদিত প্রাণদের দলটি ছিল শুরুতে একটি রাজনৈতিক মতভেদ মাত্র। হযরত রাসূলে কারীম (সাঃ)এর ওফাতের পর মুসলমানদের খলিফা কে হবেন , তা নিয়ে সৃষ্ট মতভেদ থেকে ক্ষুদ্র একটি দল হযরত আলী (রাঃ)কে খেলাফতের বৈধ উত্তরাধীকারী এবং তাঁর পূরববর্তী তিন খলিফাকে অন্যায়ভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন বলে মনে করতো। এ ভিন্নমতটিই রাজনৈতিক মতপার্থক্যের সীমা অতিক্রম করে ধর্মীয় আঁকার ধারণ করে। শিয়া মতবাদহযরত(সাঃ)এর ওফাত দিবস থেকেই নবীর সহিত উম্মতের সম্পর্কচ্ছেদ ঘটাতে এবং দ্বীনের মূলোৎপাঠনে স্বচেষ্ঠ। ফলে ইসলামের মোকাবেলায় ইহুদী কর্তৃক শিয়া ধর্মের উৎপত্তি ঘটে। ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান(রাঃ)এর হত্যার ষড়যন্ত্র ছিল ইহুদী ষড়যন্ত্র। এরপর হযরত আলী(রাঃ)এর ওফাত। এরপর শিয়া ধর্মের উৎপত্তি। ইহুদী পণ্ডীত আবদুল্লাহ ইবনে সাবা আল ইহুদীর চিন্তা-চেতনার আলোকেই এই শিয়া মতবাদএর উৎপত্তি।
ইসলামের চিরশত্রু এ ফিৎনা সৃষ্টিকারী ইহুদীদের মূলনায়ক মুনাফিক আবদুল্লাহ ইবনে সাবা আল ইহুদী এবং তার মদদপুষ্টরা ইসলামের প্রবাহমান স্রোতধারাকে স্তব্ধ করার লক্ষ্যে এবং মুসলীম ঐক্যে ফাটল ধরিয়ে দেয়ার নিমিত্তে হযরত আলী(রাঃ)এর প্রেমে মুগ্ধ হবার রূপ দিয়ে শিয়া ফেরকার ভিত্তি স্থাপিত হয়।
শিয়া মতবাদএর ভিত্তি রচনাকারী মূল নায়কের পরিচয়
শিয়া মতবাদএর মূল উদগাতা ছিল ইহুদী তাত্বিক আবদুল্লাহ ইবনে সাবা আল ইহুদী। ইয়েমেনের অধিবাসী এ ধূর্ত লোকটি তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান(রাঃ)এর শাসনামলে মদীনায় আগমন করে নিজেকে একজন নিষ্টাবান মুসলমান রূপে প্রকাশ করে খলিফার নৈকট্য প্রাপ্তদের মধ্যে স্থান করে নিতে স্বচেষ্ঠ হয়। কিন্তু, উসমান(রাঃ) তার গতিবিধি দেখে সন্দিহান হয়ে তাকে দূরে সরিয়ে দেন। এ ব্যক্তিই পরে এমন একটি বক্তব্য দাঁড় করায় যে , হযরত নবী করীম(সাঃ)এর পর তাঁর বৈধ উত্তরাধীকারী ছিলেন হযরত আলী(রাঃ)। কিন্তু, চক্রান্ত করে তাঁকে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এ ব্যক্তি হযরত উসমান(রাঃ)এর বিরুদ্ধেও নানা ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে থাকে। ফলশ্রতিতে হযরত উসমান(রাঃ) দুষ্কৃতকারীর হাতে শাহাদত বরণ করেন। আর এ আবদুল্লাহ ইবনে সাবা আল ইহুদীই প্রথম ব্যক্তি যে প্রচার করেছিল যে , হযরত আলী(রাঃ) মৃত্যুবরণ করেননি, তিনি আবার ফিরে আসবেন। শুধু কদিনের জন্য একটি পর্বতের অপর প্রান্তে লুকানো অবস্থায় থাকবেন। তার এ চিন্তা-চেতনায় নির্ভর করে মুসলমানদের মধ্যে ভাঙ্গন সৃষ্টির স্থায়ী রূপ দেয়া হলো তাও ইহুদীদের হাতে। ১০ই মুহররম শিয়া মতবাদএর জন্ম হয়।
সবশেষে বলতে হয়, শিয়ারা একটা বিভ্রান্ত ফেরকা। এদের অধিকাংশই কাফের। প্রাথমিক অবস্থায় রাজনৈতিক বিতর্কের কারণে বৃহত্তর মুসলীম উম্মাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেও পরবর্তীতে আকিদা বিশ্বাসের ক্ষেত্রেও বড় ধরণের বিভ্রান্তিতে জড়িয়ে তারা মিল্লাতে ইসলামিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
 বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতে নিচের লিঙ্কে যানঃ

Monday, June 23, 2014

বিসিএস এর নমুনা প্রশ্নপত্র (উত্তরসহ)

বিসিএস পরীক্ষার্থীদের ঘরে বসে চর্চার জন্য এই নমুনা প্রশ্নপত্রটি তৈরি করেছেন ৩১তম বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী ফারহানা জাহান।
নমুনা প্রশ্নপত্র 

সময়-১ ঘণ্টা    পূর্ণমান-১০০
[প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য এক (১) নম্বর এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫ নম্বর কাটা যাবে]
১. বচন ও লিঙ্গ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
ক. ধ্বনিতত্ত্বে খ. শব্দতত্ত্বে গ. বাক্যতত্ত্বে ঘ. কোনোটিই নয় 
২. খাঁটি বাংলায় কোন সন্ধি নেই?
ক. স্বর সন্ধি খ. ব্যঞ্জন সন্ধি গ. বিসর্গ সন্ধি ঘ. স্বর ও ব্যঞ্জন সন্ধি 
৩. কাজী নজরুল ইসলামের ‘জীবন বন্দনা’ কবিতাটি কত মাত্রার মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত? 
ক. ছয় মাত্রার খ. দশ মাত্রার গ. আট মাত্রার ঘ. চৌদ্দ মাত্রার 
৪. ‘কার্তুজ’ কোন ভাষার শব্দ? 
ক. ইংরেজি খ. ফারসি গ. আরবি ঘ. ফরাসি 
৫. আলাওলের ‘তোহফা’ কোন ধরনের কাব্য? 
ক. আত্মজীবনী খ. প্রণয়কাব্য গ. নীতিকাব্য ঘ. জঙ্গনামা 
৬. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত পত্রিকার নাম 
ক. সওগাত খ. মোসলেম ভারত গ. মাসিক মোহাম্মদী ঘ. কল্লোল 
৭. ‘মেছো’ শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় কী? 
ক. মাছ+ও খ. মেছ+ও গ. মাছি+উয়া>ও ঘ. মাছ+উয়া>ও 
৮. বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ কোনটি? 
ক. প্রভু যিশুর বাণী খ. কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ গ. ফুলমনি ও করুণার বিবরণ ঘ. গৌতম বুদ্ধের বাণী 
৯. রোমান্টিক কাব্যধারার প্রথম কবি কে?
ক. দৌলত কাজী খ. শাহ মুহম্মদ সগীর গ. মরদন ঘ. আব্দুল হাকিম 
১০. ‘নদী’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি? 
ক. মন্দাকিনী খ. সমুদ্রকান্তা গ. শ্রোতবহা ঘ. লহরী 
১১. ‘অপ’ কী ধরনের উপসর্গ? 
ক. সংস্কৃত খ. বাংলা গ. বিদেশি ঘ. মিশ্র
১২. ‘টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী। হাঁড়িতে ভাত নাহি নিতি আবেশী’ চর্যাপদের এ দুটো লাইন কোন কবির রচনা? 
ক. শবরীপা খ. লুইপা গ. ঢেগুনপা ঘ. কাহ্নপা 
১৩. ‘সমভিব্যাহার’ শব্দে উপসর্গের সংখ্যা? 
ক. চার খ. তিন গ. দুই ঘ. এক 
১৪.‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগ্ধারাটির অর্থ— 
ক. তীরে পৌঁছার ঝক্কি খ. সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি গ. মুমূর্ষু অবস্থা ঘ. আসন্ন বিপদ 
১৫. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস ‘১৯৭১’-এর লেখক কে? 
ক. হুমায়ূন আহমেদ খ. ইমদাদুল হক মিলন গ. আনিসুল হক ঘ. সৈয়দ শামসুল হক 
১৬. কোন চরিত্রটি ‘লালসালু’ উপন্যাসে নেই? 
ক. রহিমা খ. জমিলা গ. আমেনা ঘ. করিমা বিবি 
১৭. তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়—
ক. ১৯৪১ সালে খ. ১৯৪২ সালে গ. ১৮৫০ সালে ঘ. ১৮৪৩ সালে
১৮. ‘Patent’ শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো— 
ক. পিতামাতা খ. রোগী গ. ভাগ ঘ. কৃতিস্বত্ব 
১৯. কোনটি ঐতিহাসিক নাটক? 
ক. শর্মিষ্ঠা খ. রাজসিংহ গ. পলাশীর যুদ্ধ ঘ. রক্তাক্ত প্রান্তর 
২০. কখনো উপন্যাস লেখেননি— 
ক. কাজী নজরুল ইসলাম খ. জীবনানন্দ দাশ গ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ঘ. বুদ্ধদেব বসু 
২১. ৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ এবং ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ একত্রে ৫০০ টাকা হলে, সুদের হার কত? 
ক. ৫% খ. ৬% গ. ১০% ঘ. ১২%
২২. AB রেখাংশের ওপর P একটি বিন্দু হলে কোন সম্পর্কটি সব সময় প্রযোজ্য? 
ক. AP = PB খ. AB>AP গ. AB>AP+PB ঘ AP>PB
২৩. তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ১২৩। ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুটির গুণফল কত? 
ক. ৬২৫ খ. ৯০০ গ. ১৬৮০ ঘ. ১৬৪০ 
২৪. নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘণ্টায় ১০ ও ৫ কি.মি.। নদীপথে ৪৫ কি.মি. দীর্ঘপথ একবার অতিক্রম করে ফিরে আসতে কত ঘণ্টা সময় লাগবে? 
ক. ৯ ঘণ্টা খ. ১২ ঘণ্টা গ. ১০ ঘণ্টা ঘ. ১৮ ঘণ্টা 
২৫. ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১...ধারাটির দশম পদ কত? 
ক. ৪৫ খ. ৫৫ গ. ৬২ ঘ. ৬৫
২৬. দুইটি নল দ্বারা একটি চৌবাচ্চা ৮ মিনিটে পূর্ণ হয়। নল দুইটি খুলে দেওয়ার ৪ মিনিট পর প্রথম নলটি বন্ধ করে দেওয়ায় চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে আরও ৬ মিনিট লাগল। প্রতিটি নল দ্বারা পৃথকভাবে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে? 
ক. ১৮ মি. এবং ১২ মি. খ. ২৪ মি. এবং ১২ মি. গ. ১৫ মি. এবং ১২ মি. ঘ. ১০ মি. এবং ১৫ মি.
২৭. M সংখ্যক সংখ্যার গড় A এবং N সংখ্যক সংখ্যার গড় B হলে সবগুলো সংখ্যার গড় কত? 
২৮. a+b = 4 এবং a-b = 2 হলে a2+b2 এর মান কত?
ক. 5 খ. 10 গ. 15 ঘ. 20
২৯. যদি x+5y = 16 এবং x = -3y হয়, তাহলে y = কত?
ক. -24 খ. -2 গ. 8 ঘ. 2
৩০. কত?
ক. a+b+c 
৩১. এর মান কত?
৩২. x2-y2+2y-1 এর একটি উৎপাদক—
ক. x+y+1 খ. x-y গ. x+y-1 ঘ. x-y-1
৩৩. 1+2+3+4+...99 কত?
ক. 4650 খ. 4750 গ. 4850 ঘ. 4950
৩৪. একটি ৪৮ মিটার লম্বা খুঁটি ভেঙে গিয়ে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভূমির সঙ্গে ৩০০ কোণ উৎপন্ন করে। খুঁটিটি কত উঁচুতে ভেঙেছিল?
ক. ১৪ মিটার খ. ১৬ মিটার গ. ১৮ মিটার ঘ. ২০ মিটার 
৩৫. কোনো শ্রেণীর ৫৩ জন ছাত্রের মধ্যে ৩৬ জন ফুটবল খেলে, ১৮ জন ক্রিকেট খেলে এবং ১০ জন ফুটবল বা ক্রিকেট কোনোটিই খেলে না। কতজন ফুটবল এবং ক্রিকেট উভয়ই খেলে? 
ক. ১০ জন খ. ৯ জন গ. ১১ জন ঘ. ১২ জন 
৩৬. যদি x3+hx+10 = 0 এর একটি সমাধান 2 হয়, তবে h এর মান কত?
ক. -9 ক. 10 গ. 9 ঘ. 2
৩৭. P এর মান কত হলে 4x2-px+9 একটি পূর্ণ বর্গ হবে? 
ক. 10 খ. 9 গ. 17 ঘ. 12
৩৮. একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১৬ মিটার এবং অপর দুটি বাহুর প্রতিটি ১০ মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত? 
ক. ৩৬ বর্গমি. খ. ৪২ বর্গমি. গ. ৫০ বর্গমি. ঘ. ৪৮ বর্গমি.
৩৯. কোনটি সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র 
ক. ভূমি উচ্চতা 
খ. (ভূমি x উচ্চতা) 
গ. দৈর্ঘ্য x প্রস্থ ঘ. ২(দৈর্ঘ্য+প্রস্থ)
৪০. ২টা ১৫ মিনিটের সময় ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যে কত ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়? 
ক. ২৩.৫০ খ. ২২.৫০ 
গ. ২০০ ঘ. ২৩০
৪১. কোনটি রক্তের কাজ নয়? 
ক. হরমোন বিতরণ খ. ক্ষুদ্রান্ত থেকে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা গ. জারক রস বিতরণ করা ঘ. কলা থেকে ফুসফুসে বর্জ্য পদার্থ বহন করা 
৪২. চিন্তার সঙ্গে মস্তিষ্কের যে অংশের সম্পর্ক, তাকে বলা হয়—
ক. সেরিব্রাম খ. সেরিবেলাম গ. মেডুলা ঘ. স্পাইনাল কর্ড 
৪৩. কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি? 
ক. শূন্য মাধ্যমে খ. তরল মাধ্যমে গ. কঠিন মাধ্যমে ঘ. বায়বীয় মাধ্যমে
৪৪. কোন ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে? 
ক. পেট্রল ইঞ্জিন খ. ডিজেল ইঞ্জিন গ. রকেট ইঞ্জিন ঘ. বিমান ইঞ্জিনে 
৪৫. রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, তার নাম কী? 
ক. গামা রশ্মি খ. মৃদু রঞ্জন রশ্মি গ. আলোক তরঙ্গ ঘ. মাইক্রোওয়েভ
৪৬. সাদা আলো কোন তিনটি রঙের মিশ্রণ? 
ক. কমলা, হলুদ, আকাশি খ. লাল, কমলা, হলুদ গ. হলুদ, আকাশি, লাল ঘ. লাল, আকাশি, সবুজ 
৪৭. নিচের কোনটি সেমিকনডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী? 
ক. রাবার খ. জদর্মনিয়াম 
গ. গন্ধক ঘ. কাচ 
৪৮. ডায়োড সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত হয়—
ক. ক্যাপাসিটর হিসেবে 
খ. ট্রান্সফরমার হিসেবে 
গ. রেজিস্টার হিসেবে 
ঘ. রেক্টিফায়ার হিসেবে
৪৯. মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন? 
ক. ৭০% খ. ৭২% 
গ. ৭৩% ঘ. ৮০% 
৫০. ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে কী বলে? 
ক. ছায়াবৃত্ত খ. গুরুবৃত্ত গ. উষা ঘ. গোধূলি
৫১. পরমাণুর নিউক্লিয়াস কী কী থাকে? 
ক. ইলেকট্রন ও প্রোটন খ. নিউট্রন ও প্রোটন গ. নিউট্রন ও পজিট্রন ঘ. ইলেকট্রন ও পজিট্রন 
৫২. রেক্টিফাইড স্পিরিট হলো— 
ক. ৯০% ইথাইল অ্যালকোহল + ১০% পানি খ. ৮০% ইথাইল অ্যালকোহল + ১০% পানি গ. ৯০% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি ঘ. ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি 
৫৩. কোন মৌলিক অধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে? 
ক. ব্রোমিন খ. পারদ 
গ. আয়োডিন ঘ. জেনন
৫৪. আবহাওয়া ৯০% আর্দ্রতা মানে কী? 
ক. বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৯০% খ. ১০০ ভাগ বাতাসে ৯০ ভাগ জলীয় বাষ্প গ. বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০% ঘ. বাতাসের জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃষ্টিপাতের সময়ের ৯০% 
৫৫. পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন কত? 
ক. 9.8N খ. 98N 
গ. 980N ঘ. 0N
৫৬. পীট কয়লার বৈশিষ্ট্য হলো—
ক. মাটির অনেক গভীরে থাকে খ. ভেজা ও নরম গ. পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায় ঘ. দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনা অধিক 
৫৭. সংকর ধাতু পিতলের উপাদান—
ক. তামা ও দস্তা খ. তামা ও টিন গ. তামা ও নিকেল ঘ. তামা ও সিসা 
৫৮. কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়? 
ক. পেপসিন খ. এমাইলেজ গ. রেনিন ঘ. ট্রিপসিন 
৫৯. যে সর্বোচ্চ শ্রুতিসীমার ওপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে— 
ক. ৭৫ ডিবি খ. ১০৫ ডিবি গ. ৯০ ডিবি ঘ. ১২০ ডিবি 
৬০. হিমোগ্লোবিন কী জাতীয় পদার্থ? 
ক. আমিষ খ. স্নেহ গ. আয়োডিন ঘ. লৌহ 
৬১. বাংলাদেশের হরিণ প্রজননকেন্দ্র কোথায়? 
ক. খুলনা খ. বাগেরহাট 
গ. কক্সবাজার ঘ. চট্টগ্রাম 
৬২. স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের—
ক. ২ মার্চ খ. ২৩ মার্চ 
গ. ১০ মার্চ ঘ. ২৫ মার্চ
৬৩. বাংলাদেশ কোন সংস্থাটির সদস্য নয়? 
ক. OPEC খ. IMF গ. ILO 
ঘ. OIC
৬৪. বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয় কোন সালে? 
ক. ১৭০০ সাল খ. ১৭৬২ সালে গ. ১৭৬৫ সালে ঘ. ১৭৯৩ সালে
৬৫. বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ষষ্ঠ আঞ্চলিক কেন্দ্র কোনটি? 
ক. ময়মনসিংহ খ. রংপুর গ. বরিশাল ঘ. দিনাজপুর 
৬৬. রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে, সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে? 
ক. ৫২ খ. ৫৩ গ. ১২৩(২) ঘ. ১২৫
৬৭. সম্প্রতি কোথায় বৌদ্ধবিহারের সন্ধান পাওয়া গেছে? 
ক. বজ্রযোগিনী, মুন্সিগঞ্জ খ. সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ গ. টেকনাফ, কক্সবাজার ঘ. কালিয়াকৈর, গাজীপুর
৬৮. বাংলাদেশে বর্তমানে মোট কতটি স্থলবন্দর আছে? 
ক. ১১টি খ. ১৪টি গ. ১৮টি ঘ. ২১টি 
৬৯. বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার—
ক. যুক্তরাষ্ট্র খ. ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ. চীন ঘ. সৌদি আরব 
৭০. মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী? 
ক. সাংগ্রাই খ. বিষু 
গ. বৈসাবি ঘ. হোলি 
৭১. পাকিস্তান শাসনতান্ত্রিক পরিষদের ধারা বিবরণীতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি কে প্রথম করেছিলেন?
ক. হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী খ. এ কে ফজলুল হক গ. শেখ মুজিবুর রহমান ঘ. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত 
৭২. মিয়ানমারের রাজধানীর নাম কী? 
ক. নাইপিদো খ. কিয়াট 
গ. কাঠমান্ডু ঘ. ইয়াঙ্গুন 
৭৩. মঙ্গোলিয়ার পার্লামেন্টের নাম—
ক. হাউস অব ল খ. থুরাল গ. ডায়েট ঘ. হাউস অব কমন্স 
৭৪. ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ কোন দুটি রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে? 
ক. ভারত ও পাকিস্তান খ. ইসরায়েল ও জর্ডান গ. চীন ও তাইওয়ান ঘ. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া 
৭৫. কোন দেশটি ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত নয়? 
ক. ব্রাজিল খ. আর্জেন্টিনা গ. পেরু ঘ. পানামা 
৭৬. দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রার নাম কী? 
ক. ইয়েন খ. পেসো 
গ. ইউয়ান ঘ. উয়ন 
৭৭. মানব উন্নয়ন ২০১৩ অনুযায়ী মাথাপিছু আয়ে শীর্ষ দেশ— 
ক. যুক্তরাষ্ট্র খ. সুইজারল্যান্ড গ. কাতার ঘ. জাপান 
৭৮. শেনজেন চুক্তি হচ্ছে— 
ক. বাণিজ্য চুক্তি খ. অবাধ চলাচলসংক্রান্ত চুক্তি গ. কর হ্রাস চুক্তি ঘ. এর কোনোটিই নয় 
৭৯. হুগো চাভেজের প্রেসিডেন্টকালীন শাসনকাল কোনটি? 
ক. ১৯৯৮-২০১৩ খ. ২০০০-২০১৩ গ. ১৯৯৯-২০১৩ ঘ. ১৯৯৭-২০০০
৮০. ফর্মুলা ওয়ান কী? 
ক. শিশুখাদ্য খ. টিভি সিরিয়াল গ. এইডসবিরোধী প্রচারণা ঘ. কার রেসিং প্রতিযোগিতা 
৮১. Army : Logistic 
ক. Business : Strategy খ. War : Logic গ. Soldiers : Students ঘ. Team : Individual.
৮২. ‘The rains have set in’—
ক. বৃষ্টি পড়া শুরু হয়েছে খ. বৃষ্টি পড়ছে গ. বৃষ্টি আরম্ভ হয়েছে 
ঘ. বর্ষা আরম্ভ হয়েছে 
৮৩. ‘Maiden Speech’ means—
ক. First Speech খ. Last Speech গ. Late Speech ঘ. Early Speech
৮৪. Choose the correct sentence :
ক. I, you and he are present খ. You, he and I are present গ. You, he and I am present ঘ. He, you and I are present
৮৫. Would you mind___?
ক. to open the door খ. opened the door গ. opens the door ঘ. Opening the door
৮৬. ‘Paradise Lost’ attempted to__
ক. Justify the ways of man to God খ. Justify the ways of God to man গ. Show that the satan and God have equal power ঘ. Explain why good and evil are necessary
৮৭. Choose the correct synonym for ‘Gratis’___
ক. gratifying খ. free গ. gracious ঘ. with charge
৮৮. I am not good___translation.
ক. in খ. about গ. with ঘ. at
৮৯. The antonym for ‘Devoid’___ 
ক. latent খ. full of গ. evident ঘ. suspecting
৯০. He is quite __ in dealing with people 
ক. unsubtle খ. Imprudent of গ. diplomatic ঘ. impolite
৯১. ‘Few and far between’ means— 
ক. too far খ. in between গ. rarely ঘ. long distance
৯২. ‘Who can do it?’ Passive form is__ 
ক. By whom can it be did খ. By can whom it be done গ. By whom could it be done ঘ. By whom can it be done
৯৩. What is the meaning of the word ‘euphemism’? 
ক. Vague idea খ. inoffensive expression গ. Verbal play ঘ. Wise saying
৯৪. Which of the following sentence is a correct proverb? 
ক. Fools rush in where angels fear to tread খ. Fools rush in where an angel fears to tread গ. A fool rush in where an angel fears in tread ঘ. Fools rush in where the angles fear to tread
৯৫. Now a days many villages are lit ___ electricity. 
ক. with খ. by গ. in ঘ. with
৯৬. Witch is the noun of the word ‘Beautiful’? 
ক. Beautiful খ. Beauty গ. Beautifully ঘ. Beauteous.
৯৭. Only after I ___ home, did I remember my doctor’s appointment. 
ক. going খ. go 
গ. went ঘ. gone
৯৮. I divided the money ___ the two children. 
ক. over খ. in between গ. Among ঘ. Between
৯৯. A rolling stone gathers no moss. What ‘rolling’ is?
ক. Gerund খ. Verbal noun গ. Adjective ঘ. participle
১০০. Just now he ___ his dinner but he says he’ll see you when he is finish 
ক. is having খ. has had গ. was having ঘ. had.

Monday, April 28, 2014

আসছে নতুন ওষুধনীতিঃ ফার্মাসিস্টদের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ


নিম্ম ও ভেজাল ওষুধ প্রতিরোধ এবং ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় ওষুধনীতির চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রণয়ন করা এ নীতিমালা অনুযায়ী একটি মূল্য-নির্ধারণী কমিটির মাধ্যমে সরকার ওষুধের দাম নির্ধারণ করে দেবে। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের তত্ত্বাবধানে গঠন করা হবে ‘হসপিটাল ফার্মেসি’ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে হবে ‘কমিউনিটি ফার্মেসি’শক্তিশালী করা হবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরকে। আদায়কৃত রাজস্বের ১৫ শতাংশের অংশীদার হবেন এ প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। এ ছাড়া সব বিভাগীয় শহরে ওষুধ পরীক্ষাগার স্থাপন করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির অর্থনীতি প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা ওষুধ নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন করেছি। এ জন্য ওষুধ কোম্পানির মালিক, বিক্রেতাসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেছি।’
ওষুধের নিম্মমান, নকল, ভেজাল ও চোরাচালান করা ওষুধ বিক্রি ও ব্যবহার প্রতিরোধে এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ওষুধ বিক্রি বন্ধ করতে নীতিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের তত্ত্বাবধানে ‘হসপিটাল ফার্মেসি’ এবং নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমা নির্দেশ করে শহরের ক্ষেত্রে ওয়ার্ডভিত্তিক ও গ্রামের ক্ষেত্রে প্রতি গ্রামে পর্যায়ক্রমে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের পরিচালনায় একটি করে ‘কমিউনিটি ফার্মেসি’ প্রতিষ্ঠা করা হবে। ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় যাতে কোনো রোগী ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য সারা দেশের হসপিটাল ফার্মেসি ও কমিউনিটি ফার্মেসিগুলোর মাধ্যমে জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়া মনিটরিং নেটওয়ার্ক এবং একটি জাতীয় ওষুধ তথ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।
এতে আরো বলা হয়, ১০০ বা তার বেশি শয্যাবিশিষ্ট দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের ফার্মাকোলজি বিভাগে ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়া তদারকির জন্য ‘ফোকাল পয়েন্ট’ নির্ধারণ করা হবে। কোনো একটি মেডিক্যাল কলেজকে এ বিষয়ক জাতীয় কেন্দ্র ঘোষণা করে এ কার্যক্রম শক্তিশালী করা হবে।
সব স্বীকৃত পদ্ধতির ওষুধের সর্বোত্তম তাত্ত্বিক পরিচয়কে চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্ট উভয়ের কাছে সহজ করার লক্ষ্যে ওষুধের বাণিজ্যিক নামের পাশাপাশি স্পষ্টভাবে জিনেরিক নামে উৎপাদন ও বিপণন করতে হবে বলেও প্রস্তাবিত নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করবে এবং প্রতি বছর এ মূল্য পর্যালোচনা করা হবে। এ মূল্য-নির্ধারণী কমিটিতে সরকার, উৎপাদক কোম্পানি ও ভোক্তার যথাযথ প্রতিনিধিত্ব থাকবে।
কোম্পানির অজান্তে বাজারে ওষুধের দামের ওঠানামা প্রতিরোধে জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অধিবীক্ষণ কার্যকরভাবে বাড়ানো হবে এবং এতে ভোক্তার প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এমনকি দেশে উৎপাদিত ও আমদানি করা আয়ুর্বেদীয়, ইউনানি, হার্বাল, হোমিওপ্যাথি ও বায়োকেমিক ওষুধের মূল্য অধিদফতরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও ড্রাগ কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা কোনো ভোক্তা নিম্মমানের নকল ভেজাল চোরাচালান করা ওষুধ ব্যবহারে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি যাতে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন তা নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যমান আইন সংশোধন করা হবে।
কোনো ওষুধ নিম্মমানের প্রমাণিত হলে ড্রাগ কোর্টে দ্রুত অভিযোগ দাখিলের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিম্মমানের, নকল ও ভেজাল ওষুধ এবং ফুড সাপ্লিমেন্টের নামে ওষুধজাতীয় পণ্যের অননুমোদিত উৎপাদক ও বিক্রেতা, সেই সঙ্গে এগুলো দিয়ে চিকিৎসাকারী চিকিৎসক ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইনের সংস্কার করা হবে।
এ ছাড়া উত্তম উৎপাদন কৌশল (জিএমপি) অমান্যকারী প্রতিষ্ঠান, নকল ও ভেজাল ওষুধ বিতরণ, অনুমোদনহীন বিজ্ঞাপন প্রচার করলে বা সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা লঙ্ঘন করলে ড্রাগ কোর্টের মধ্যে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হবে।
জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, অপ্রয়োজনীয় কিংবা অত্যাধিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিশিষ্ট ওষুধ (অ্যালোপ্যাথিক, আয়ুর্বেদীয়, ইউনানি, হার্বাল, হোমিওপ্যাথিক) বাতিল করা হবে। যেসব ওষুধে ফলকোডিন ও কোডিন আছে সেগুলোও বাতিল হবে। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর হবে খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, ভেজাল প্রতিরোধ মূল্য নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরকে ‘খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন’ অধিদফতরে রূপান্তর করা হবে। প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ, প্রসাধনী, গৃহস্থালিতে ব্যবহার্য সব রাসায়নিক, ফুড সাপ্লিমেন্ট, হাঁস-মুরগির খাদ্য, প্রি-বায়োটিক, মেডিক্যাল ডিভাইসেস, সার্জিক্যাল ইকুইপমেন্ট, পশুখাদ্য, প্রাণিসম্পদ চিকিৎসার ওষুধ, ভিটামিন প্রি-মিক্স ইত্যাদি এ অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণভুক্ত হবে। ওষুধের বিজ্ঞাপন ও প্রচার নিয়ন্ত্রণ সব পদ্ধতির ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে জনসমক্ষে ও গণমাধ্যমে ওষুধের সব ধরনের বিজ্ঞাপন, প্রচার ও আলোচনা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনো বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। ওষুধের বিপণনে অসত্য, অযাচিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য রোধে সংশ্লিষ্ট উৎপাদন ও ভোক্তাদের সমিতি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ‘কোড অব ফার্মাসিউটিক্যালস মার্কেটিং ইথিকস’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হবে। দোকানে যথাযথ সংরক্ষণ পদ্ধতি নিশ্চিতকরণ
তাপ সংবেদনশীল ওষুধের কার্যকারিতা ও গুণগত মান বজায় রাখতে ওষুধের দোকানে রেফ্রিজারেটর রাখা এবং এর উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের যথাযথ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সব পাইকারি ও খুচরা দোকান এবং কোম্পানির সংরক্ষণাগার বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ক্যাটাগরির ফার্মাসিস্টদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। তাপ সংবেদনশীল ওষুধের তালিকা করে তা সব পাইকারি ও খুচরা ওষুধের দোকানে এবং কোম্পানির সংরক্ষণাগারে প্রদর্শন করতে হবে। এ ওষুধগুলোয় নির্দিষ্ট চিহ্ন ও রং ব্যবহার করতে হবে। শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদনের সামর্থ্য অনুযায়ী শ্রেণীবিন্যাস করা হবে। নির্ধারিত ক্যাটাগরির ওপর ভিত্তি করে কোন প্রতিষ্ঠানকে কী ধরনের ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি দেওয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকবে।
দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো উচ্চপ্রযুক্তির কোনো অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ বিদেশি কোম্পানির সনদের আওতায় উৎপাদন ও বাজারজাত করতে পারবে। তবে এ ওষুধ তালিকাভুক্ত সাতটি উন্নত দেশের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া) যে কোনো একটিতে বাজারজাতের উদ্দেশ্যে নিবন্ধিত হতে হবে। তবে এ প্রক্রিয়ায় কোনো বিদেশি কোম্পানি অনুমতি পাবে না। বাংলাদেশে উৎপাদন কারখানা আছে এমন স্থানীয় বা বিদেশি ওষুধ কোম্পানিকে মাশুল দেওয়ার ব্যবস্থায় তাদের পছন্দমতো কোনো অ্যালোপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক উৎপাদন কারখানায় ওষুধ উৎপাদনের অনুমিত দেওয়া হবে।
শুধু রফতানির উদ্দেশ্যে কোনো বিদেশি কোম্পানি এ দেশের কোনো কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিভিত্তিতে ওষুধ উৎপাদন করতে পারবে। উৎপাদিত ওষুধ কোনোভাবেই স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করা যাবে না। সব স্বীকৃত পদ্ধতির ওষুধের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। ওষুধ প্রশাসনের কর্মীরা রাজস্ব আদায়ের ১৫ শতাংশ পাবেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরকে সরকারের একটি কার্যকর ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে নীতিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক পেশাগতভাবে শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী তাদের আদায় করা রাজস্বের ১৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব দেওয়া হবে। অধিদফতরে আইনগত সহায়তা সেল (লিগ্যাল সেল) গঠন করা হবে।
নকল ভেজাল ও নিম্মমানের ওষুধ উৎপাদন, বিতরণ, মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে অধিদফতরে একটি কোয়াসি জুডিশিয়াল বেঞ্চ গঠন করা হবে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা ছাড়া কাউকে ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে এরই মধ্যে যাদের এমন অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেগুলোর নবায়ন বন্ধ করা হবে। অবশ্য কারখানায় প্রয়োজনীয় সুবিধা সৃষ্টি করতে পারলে উৎপাদনের অনুমতি দেওয়া হবে। দেশের জরুরি প্রয়োজনে বা জনস্বাস্থ্য রক্ষায় যে কোনো কোম্পানিকে সরকার যে কোনো ওষুধ উৎপাদনের নির্দেশ দিতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো তা উৎপাদনে বাধ্য থাকবে। সব বিভাগীয় শহরে ওষুধ পরীক্ষাগার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, উপযুক্ত যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবল নিয়ে গঠিত দেশের জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাগারকে (এনসিএল) অবশ্যই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন করার কথা বলা হয়েছে জাতীয় ওষুধ নীতিমালার খসড়ায়। সব বিভাগে ওষুধ পরীক্ষাগারের শাখা স্থাপন করতে হবে। অধিদফতরের বর্ধিত জনবলের মাধ্যমে কারখানা ও বাজার থেকে বেশিসংখ্যক নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে। ওষুধ পরীক্ষায় অর্জিত ফির ১৫ শতাংশ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে নিয়োজিত জনবলকে দেওয়া হবে।
বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত পরীক্ষাগারকেও ওষুধ পরীক্ষার অনুমোদন দেওয়া হবে। তবে এ পরীক্ষাগারকে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অনুমোদিত ও জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের নিবিড় অধিবীক্ষণের সম্মত শর্তে লাইসেন্স প্রাপ্ত হতে হবে। ওষুধ কারখানায় যোগ্য জনবল নিয়োগ অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ কারখানায় বাধ্যতামূলকভাবে প্রয়োজনীয়সংখ্যক গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট, রসায়নবিদ, প্রাণ-রসায়নবিদ, অনুজীব বিজ্ঞানী, জীব-প্রযুক্তিবিদ, জীব-প্রকৌশলী ও ফার্মাকোলজিস্টদের নিয়োগ করতে হবে। ছোট ও মাঝারি আকারের কারখানার জন্য যোগ্য জনবলের সর্বনিম্ম সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কৌশল অনুসরণ নিশ্চিত জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অধিদফতরের বাইরের জিএমপি (উত্তম উৎপাদন কৌশল) বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়ে কারখানার উৎপাদন সুবিধা মূল্যায়ন করা হবে। উচ্চ মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদন নিশ্চিত করতে জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের যোগ্য কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেও জিএমপি ইন্সপেক্টর নিয়োগ দেওয়া হবে।
এ ছাড়া প্রস্তাবিত নীতিমালায় বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা সংশোধন, অধিক হারে রফতানির জন্য উৎসাহ ও প্রণোদনা, আমদানি করা ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ, সব পদ্ধতির ওষুধের তালিকা প্রণয়ন, পরিবেশ দূষণ ও ইটিপির বিষয়ে ধারা রয়েছে।
উৎসঃ অর্থনীতি প্রতিদিন।

Sunday, April 27, 2014

পাল্টে যাচ্ছে বিসিএস পরীক্ষার ধরন

পাল্টে যাচ্ছে বিসিএস পরীক্ষার ধরন। আর ৩৫তম পরীক্ষাই হতে পারে নতূন নিয়মে। ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৭৪৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) দ্রুত বিজ্ঞপ্তি জারি করবে। বর্তমান ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে পিএসসি’র সুপারিশকৃত ৮ হাজার ৩৭৭ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের কার্যক্রমও চূড়ান্ত পর্যায়ে। এছাড়া বর্তমান অর্থবছরে দ্বিতীয় শ্রেণীর ১৫, তৃতীয় শ্রেণীর ৭০ এবং চতুর্থ শ্রেণীর ২৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের লক্ষ্য রয়েছে।
যে নিয়মে হতে পারে আগামী সব বিসিএস পরীক্ষা: পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, নতুন পরীক্ষা পদ্ধতিতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে ৩০০ নম্বরে। সময় দেয়া হবে তিন ঘণ্টা। আগে ১০০ নম্বরের জন্য এক ঘণ্টা সময় দেয়া হতো। প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে পরীক্ষার ফি ধরা হয়েছে ৭০০ টাকা। আগে ছিল ৫০০ টাকা। উপ-জাতিদের জন্য এই ফি ধরা হয়েছে ২৫০ টাকা। যা আগে ছিল ৫০ টাকা।
নতুন প্রস্তাবে লিখিত পরীক্ষায় সব বিষয়ের প্রথম পত্রের পরীক্ষা হবে ২০০ নম্বরে। সময় তিন ঘণ্টা। আর দ্বিতীয় পত্র ১০০ নম্বরে। সময় থাকবে তিন ঘণ্টা। বর্তমান নিয়মে যেখানে প্রত্যেক বিষয়ে ১০০ নম্বরে তিন ঘণ্টা সময় দেয়া হয়।
নতুন পদ্ধতিতে মৌখিক পরীক্ষা সর্বনিম্ন নম্বর বিবেচনা করা হবে ৫০ শতাংশ। বর্তমানে যেটা ৪০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। সেটি নিয়ে আমরা কাজ করছি। বর্তমান নিয়ম-নীতিগুলো ইংরেজিতে লেখা। আর নতুন প্রস্তাবটি বাংলায় লেখা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ‘৩৫তম বিসিএস থেকেই নতুন পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া হবে। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই আমরা কাজ করছি। আর নতুন প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হয়ে গেলেই ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞাপন দেয়া হবে।’ এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি)। নতুন প্রস্তাবটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠিয়েছে পিএসসি। সেখান থেকে মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। সেখান থেকে প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির জন্য পাঠানো হবে। এরপর যাবে রাষ্ট্রপতির কাছে।
উৎসঃ bd24live.com

বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতেনিচের  লিঙ্কে যানঃ
·                   https://www.facebook.com/groups/1492148344346593/

Monday, April 21, 2014

নিবন্ধন জটিলতায় ৫ হাজার ফার্মাসিস্ট: সমস্যা সমাধানে ১৫ দিনের আলটিমেটাম

নিবন্ধন জটিলতায় ভুগছেন দেশের পাঁচ হাজার ফার্মাসিস্ট আর জটিলতায় থমকে গেছে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি নিয়েও নিছক নিবন্ধন না থাকায় নামমাত্র বেতনে চাকরি করতে বাধ্য হচ্ছেন এসব ফার্মাসিস্ট আর উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নিবন্ধনহীনতা
দেশের সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন নেওয়া এসব ফার্মাসিস্ট নিবন্ধন জটিলতার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন গড়েছেন ফার্মাসিস্ট গ্রাজুয়েটস অ্যাসোসিয়েশন নিবন্ধনের জন্য পরীক্ষা এড়ানোর দাবিতে গতকাল তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একত্রিত হয়ে সম্মেলন করেছেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তারা জানিয়েছেন, ‘ফার্মেসি অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬অমান্য করে ফার্মেসি কাউন্সিল পরীক্ষা নেওয়ার নামে নবীন ফার্মসিস্টদের নিবন্ধনে সংকট সৃষ্টি করেছে তারা জানিয়েছেন, ১৯৭৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যাটাগরির এক হাজার নিবন্ধন দেওয়া হলেও তারপর থেকেই নানা জটিলতায় আটকে গেছে প্রায় পাঁচ হাজার ফার্মাসিস্টের নিবন্ধন সম্মেলন থেকে নিবন্ধন জটিলতা কাটাতে ১৫ দিনের  আলটিমেটামও দেওয়া হয়েছে
সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ফারুক বলেন, ওষুধশিল্পে বাংলাদেশ প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ কানাডা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় কোম্পানির ফার্মাসিস্ট বাংলাদেশের বাইরের দেশে যাওয়ার জন্য ফরম পূরণ করতে গেলেই রেজিস্ট্রেশন নম্বর লাগে কিন্তু ফার্মেসি কাউন্সিল কর্তৃক নিবন্ধন না দেওয়ায় এবং অহেতুক জটিলতা তৈরি করায় দেশের ফার্মাসিস্টরা বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে যেতে পারছেন না। তিনি জানান, ভারত, পাকিস্তান, নেপালের ফার্মাসিস্টরা বেশি বেতন পাচ্ছে অথচ এখানে মাত্র ১০ হাজার বা কিছু ক্ষেত্রে তারও কম বেতনে চাকরি শুরু করতে হচ্ছে রেজিস্ট্রেশন জটিলতার কারণে ফার্মাসিস্টদের দক্ষ এবং মানবসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হচ্ছে না বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার ফার্মাসিস্ট রয়েছে রেজিস্ট্রেশন না থাকায় চাকরি ক্ষেত্রে গেলে তাদের অর্ধেক বেতন দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ বলেন, ফার্মাসিস্টদের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার নামে আইন অমান্য করে পরীক্ষার ফি নেওয়া হচ্ছে প্রত্যেক রেজিস্ট্রেশনের বিপরীতে পরীক্ষার দেওয়ার জন্য এক হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে, যা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন তাই পূর্বে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ফি বাবদ নেওয়া টাকার হিসাব জনসম্মুখে তুলে ধরার দাবি জানান তিনি
ফারুক আরো বলেন, ফার্মেসি অর্ডিনেন্স-১৯৭৬ অনুযায়ী ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টদের , বি সি ক্যাটাগরির রেজিস্ট্রেশন দিয়ে থাকে বাংলাদেশের স্বীকৃত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি ফার্ম পাসকৃত সবাইকেই ক্যাটাগরির ফার্মাসিস্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সম্মেলনে বলা হয়, ১৯৭৬ সালে থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যাটাগরির রেজিস্ট্রেশনের জন্য কোনো পরীক্ষা ছাড়াই গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টদেরকে রেজিস্ট্রেশন দিয়ে এসেছেকিন্তু ২০০৪ সাল থেকে ফার্মেসি কাউন্সিল বেআইনিভাবে আইন লঙ্ঘন করে নিবন্ধন দেওয়ার আগে একটি আলাদা পরীক্ষার নিয়ম চালু করে
সম্মেলনের বক্তাদের অভিযোগ, যদি আলাদাভাবে পরীক্ষা নেওয়া জরুরি হতো তাহলে কাউন্সিল আইনটি সংশোধন করে নিত, তা না করে গায়ের জোরে পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করেছেএটি আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘনছাত্ররা পরীক্ষা দেওয়ার ভয়ে ভীত নয়, কিন্তু তা হতে হবে আইন অনুযায়ী
তারা জানান, এ ছাড়া ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, নার্স প্রভৃতি পেশার বেলায়ও এফিলিয়েটেড প্রতিষ্ঠান থেকে
পাস করার পর তাদের যথাযথ কাউন্সিল থেকে পরীক্ষা ছাড়াই রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া ফার্মাসিস্টরা বলেন, ‘আমরা অন্যায়ভাবে কোনো পরীক্ষা দেব নাপ্রায় দুই হাজার পরীক্ষা দিয়ে আমরা পাস করেছিপরীক্ষা দিতে আমাদের কোনো আপত্তি নেইতবে তা আইন অনুযায়ী হতে হবে। এ ছাড়া সংগঠনের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ আজ সোমবার থেকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানানঅন্যথায় পরে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা ফার্মাসিস্ট পরিষদের আহ্বায়ক সেলিম আজাদ চৌধুরী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে লুৎফর কবিরসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট



উৎসঃ অর্থনীতি প্রতিদিন। 

বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতেনিচের  লিঙ্কে যানঃ
·                   https://www.facebook.com/groups/1492148344346593/