Friday, April 18, 2014

বিগত বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসা বিজ্ঞান প্রশ্নের সমাধান


  1. চাঁদে কোনো জিনিসের ওজন পৃথিবীতে এর ওজনের ১/৬ ভাগ। 
  2. বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুত খরচ একই হয়।
  3. কলেরা জীবাণু আবিষ্কার করেন- রবার্ট কচ
  4. প্রাণীজগৎ এর উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যা- ইভোলিউশন
  5. মাইটোকন্ড্রিয়া অনুপস্থিত কোনটিতে? -ব্যাকটেরিয়া
  6. জেনেটিক ইনফরমেশন এর মূল একক- অনুলিপন
  7.  মাইটোকন্ডিয়ার কত ভাগ প্রোটিন? -73%
  8.  ফকল্যান্ড যুদ্ধে পরাজিত হয়ঃ -আর্জেন্টিনা
  9. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন উদ্ভিদের কোন অংশে হয়? -কান্ড
  10. কোন উদ্ভিদে অণুবীজের মাধ্যমে প্রজনন হয়? -ফার্ণ
  11. সূর্যের প্রখর তাপেও গরম হয়না কোনটি? -পাতা
  12. সালোক সংশ্লেষণে সবচেয়ে বেশি হয়ঃ -লাল আলোতে
  13. কোন মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা কম?- বেলে মাটি
  14. নিচের কোনটি উর্ধ্বপাতিত হয় না? -বেনজিন
  15. কোনটি মৌলিক পদার্থ নয়? -ইস্পাত
  16. হাইড্রোজেন পরমাণুতে কোনটি নেই? -নিউট্রন
  17.  বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে ওজোন স্তর রয়েছেঃ -স্ট্র্যাটোমন্ডল
  18. বাতাসে মিথেনের পরিমাণঃ - 0.00002%
  19. ধানের পরাগায়ন হয় কিসের মাধ্যমে? -বাতাস
  20.  কোন ধাতুর উপড় আঘাত করলে শব্দ হয়না? -এন্টিমনি
  21.  গ্যালভানাইজিং কাজে ব্যবহৃত হয় কোন ধাতু? -জিংক
  22.  জোয়ার ভাটার প্রধান কারণঃ - চাঁদের আকর্ষণ
  23.  কোথায় সাঁতার কাটা সহজ? -সাগরে
  24. আবহাওয়া সম্পর্কীয় বিজ্ঞানকে কি বলে? -মেটিওরোলজি
  25. টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে প্রভাহিত হয়ঃ -বিদ্যুৎ শক্তি
  26. দেহের রেচনতন্ত্রে সহায়তা করে কোনটি? -বৃক্ক
  27. "সবুজ গ্রহ" বলা হয়ঃ ইউরেনাস-কে।
  28.  সৌরজগত এর দ্রুততম গ্রহঃ বুধ
  29.  "গ্রহ রাজ" বলা হয়ঃ বৃহষ্পতি-কে।
  30. যে গ্রহের উপগ্রহ সবচেয়ে বেশিঃ শনি (৫৩ টি)
  31. শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধুমকেতুঃ হেল-বপ
  32.  "পৃথিবীর জমজ" নামে পরিচিতঃ শুত্র
  33. পৃথিবীর নিকটতম গ্রহঃ শুক্র
  34.  সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহঃ পৃথিবী
  35. বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নামঃ রাজ কাঁকড়া।
  36.  সৌরজগত আবিষ্কার করেনঃ নিকোলাস কোপারনিকাস
  37. একজন পূর্ণ বয়ষ্ক মানুষের দেহে রক্ত থাকেঃ ৫-৬ লিটার
  38. চোখে মেলে ঘুমায়ঃ মাছ
  39. সবচেয়ে বড় কোষঃ উটপাখির ডিম
  40. কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্যঃ লৌহ।
  41. DVD পূর্ণরূপঃ Digital Video Disk
  42.  বিশ্বের প্রথম ল্যাপটপের নকশা করেনঃ বিল মোগরিজ
  43.  কম্পিউটার আবিষ্কার করেনঃ হাওয়ার্ড আইকিন
  44.  বিশ্বের প্রথম অ্যাপেল কম্পিউটারের নকশা করেনঃ স্টিভ ওজানিয়াক
  45. সর্ব প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনা যন্ত্রঃ মার্ক-১
  46. কম্পিউটারের কাজের গতি প্রকাশ করা হয়ঃ ন্যানো সেকেন্ডে
  47.  প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর নামঃ আরপানেট
  48.  WWW পূর্ণরূপঃ World Wide Web
  49. সর্বপ্রথম উদ্ভাবিত মাইক্রো প্রসেসর এর নামঃ ইনটেল 4004
  50. পেঁচা দিনে দেখতে পারে না, কারণঃ পেঁচার চোখে রডস এর সংখ্যা কম, কোনস এর সংখ্যা বেশি।
  51. প্রথম রকেট আবিষ্কার করেন কে? উঃ ড. রবার্ট হ্যাবিং গভার্ড (1926)
  52. পৃথিবী থেকে মহাকাশে যাত্রা করা প্রথম উপগ্রহঃ স্পুটনিক-1 (1957)
  53. বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারীর নাম ইউরি গ্যাগরিন (রাশিয়া)
  54.  প্রথম মানুষ্যবাহী মহাকাশ যানঃ ভেক্টর-1 (1961)
  55. মহাশুন্যে উৎক্ষেপিত প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহঃ টেলস্টায় (1962)
  56. প্রথম মহাকাশচারী মহিলা ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা ভোস্টক-6 এ গমন করেন (1963)
  57. TNT একটি শক্তিশালী- -বিষ্ফোরক
  58. মাস্টার্ড গ্যাস একটি বিষাক্ত গ্যাস যেটি ব্যবহৃত হয়েছিল-  প্রথম বিশ্বযুদ্ধে
  59. ডিমে কোন ভিটামিন নেই? উঃ ভিটামিন সি
  60. দেশে কোন অঞ্চলে বেশি রেশম উৎপন্ন হয়? উঃ রাজশাহী
  61. কোন ভিটামিনের অভাবে রক্তশূন্যতা হয়? উঃ ভিটামিন B12
  62. ছাগলের ঘোরা রোগের কারণঃ - ফিতা কৃমি
  63. ওজোনের রঙ- গাঢ় নীল
  64. ফটোগ্রাফিক কাগজের উপড় আলো পড়লে শক্তির কিরূপ রুপান্তর হয়? 
  65. আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে
  66.  সবচেয়ে বেশি elastic কোনটি? -ইস্পাত
  67. কচু শাকে কোন উপাদান বেশী থাকে?- লৌহ
  68. কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়? উঃ রাবার
  69.  কোনটি নবায়ন যোগ্য শক্তির উৎস? উঃ সূর্যে রশ্মি
  70. ইন্টারনেট চালু হয়ঃ 1969 সালে
  71. MKS পদ্ধতিতে ভরের এককঃ কেজি
  72. কোনটিকে চুম্বকে পরিণত করা যায়? উঃ ইস্পাত
  73. আলটিমিটার কি? উঃ উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
  74. কোনটি মৌলিক পদার্থ?- লোহা
  75.  কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল? উঃ পারদ
  76.  স্টেইনলেস স্টিলের অন্যতম উপাদান কি? উঃ ক্রোমিয়াম
  77. সর্বাপেক্ষা হালকা গ্যাসঃ হাইড্রোজেন
  78. লোহাকে গ্যালভানাইজিং করতে ব্যবহৃত হয়ঃ দস্তা
  79. সংকত ধাতু পিতলের উপাদানঃ তামা ও দস্তা
  80. কোনটি সিমেন্ট তৈরীর অন্যতম কাঁচামাল? উঃ জিপসাম
  81. মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারকঃ হেস
  82.  ইউরি গ্যাগরিন মহাশূন্যে যানঃ 1961 সালে
  83. গ্রিনিচ মান মন্দির অবস্থিতঃ যুক্তরাজ্যে
  84. বিশ্বের প্রথম এবং একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত্? যুক্তরাষ্ট্রে।
  85. লেজার রশ্মি যে আবিষ্কার করেন – মাইম্যান ১৯৬০ সালে।
  86. বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন সংবাদ সংস্থার নাম কি? -বিডিনিউজ২৪.কম।
  87. বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিনের নাম কি? -পিপীলিকা (Pipilika)।
  88. ব্রোমোফেনল নির্দেশক অম্লীয় বর্ণঃ - হলুদ
  89. বর্ণহীন রক্ত বিশিষ্ট প্রানীঃ তেলাপোকা
  90. রক্ত কণিকা কত প্রকার? -3
  91. বিশ্ব নিরাপদ ইন্টারনেট দিবস কবে? উঃ 10 ফেব্রুয়ারি।
  92. কোন উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে? –শিম
  93. কোন ধাতুকে পোড়ালে উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের শিখা উৎপন্ন হয়? –সোডিয়াম
  94. কুপি থেকে সলিতায় তেল আসে -- কৈশিক চাপের জন্য
  95. ধানের পরাগায়ন হয় কিসের মাধ্যমে? -বাতাস
  96. কোন ধাতুর উপড় আঘাত করলে শব্দ হয়না? -এন্টিমনি
  97. গ্যালভানাইজিং কাজে ব্যবহৃত হয় কোন ধাতু? -জিংক
  98. জোয়ার ভাটার প্রধান কারণঃ -চাঁদের আকর্ষণ
  99. কোথায় সাঁতার কাটা সহজ? –সাগরে
  100. পৃথিবীর প্রাচীনতম উদ্ভিদ : সামুদ্রিক শৈবাল
  101. মানুষের দর্শনাভূতির স্তায়িত্ব কাল : ০.১ সেকেন্ড
  102. লেবুতে যে এসিড পাওয়া যায় : সাইট্রিক এসিড
  103. আমাদের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী মাসল অবস্থিত আমাদের জিভ এ।
  104. নাড়ী স্পন্দন অনুভূত হয় –ধমনীতে
  105. মৃদু আলোতে ভালো কাজ করে চোখেরঃ -রডস কোষ
  106. এক অশ্ব শক্তি (H.P) নিচের কোনটির প্রায় সমতুল্য? - 0.746 KW
  107. ফটো ইলেকট্রিক কোষের উপড় আলো পড়লে কি উৎপন্ন হয়? -বিদ্যুৎ
  108. একটি সরল দোলক পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল হবে- অসীম
  109. অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপড় -কেন্দ্রমুখী বল
বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতে নিচের লিঙ্কে যানঃ
·                   https://www.facebook.com/groups/1492148344346593/

Tuesday, April 15, 2014

বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বাংলা নববর্ষ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য


  1. পহেলা বৈশাখ পালিত হয়- ইংরেজি ১৪ই এপ্রিল তারিখে
  2. ১৪ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালনের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়- ১৯৯৫ সাল থেকে
  3. বাংলা সনের প্রবর্তক- মুঘল সম্রাট আকবর, ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ।
  4. বাংলা সনের মূল ভিত্তি- হিজরি সন।
  5. বাংলা সন প্রথমে পরিচিত ছিল- ফসলি সন হিসাবে।
  6. আকবরের রাজত্বের ঊনিশতম বর্ষে বঙ্গাব্দ প্রবর্তিত হয়।
  7. বঙ্গাব্দের দিন শুরু হয় সূর্যোদয় থেকে।
  8. বঙ্গাব্দ গণনা করা হয়- ৫ নভেম্বর ১৫৪৬ সাল থেকে
  9. খ্রিস্টীয় সাল হতে ৫৯৩ বিয়োগ করলে বাংলা সন পাওয়া যায়।   
  10. নববর্ষ বরণ উৎসব শুরু করে- ছায়ানট ১৩৭২ বঙ্গাব্দে,১৯৬৫ সাল
  11. বাংলা নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে দেশের তিন পার্বত্য জেলায় উপজাতীয়দের ঐতিহ্যবাহী উৎসবের নাম কি?-বৈসাবি।
  12. বাংলা নববর্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা  করা হয়- ১৯৬৪ সাল থেকে
  13. বৈশাখ নামের সাথে জড়িত নক্ষত্রের নাম- বিশাখা।
  14. বাংলাদেশের জাতীয় সন- বাংলা সন।
  15. পাহাড়ীদের সবচেয়ে  বড় উৎসব- বৈসাবি।
  16. বাংলা সাহিত্যে প্রথম ঋতু চেতনা নিয়ে আসেন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
  17. “বাংলা পঞ্জিকা সংস্কার কমিটি”- আখ্যায়িত করা হয়- শহীদুল্লাহ কমিটি নামে।
  18. বাংলা ক্যালেন্ডারের সংস্কার উদ্যোগ নেয়া হয়- মেঘনাথ সাহার সুপারিশের ভিত্তিতে।
  19. স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারি নথিতে বাংলায় নোট লেখা, সই করা এবং তারিখ প্রদানের প্রথা চালু করেন-  তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।
  20. সরকারি কাজকর্মে ইংরেজি সালের পাশাপাশি বাংলা সন ও তারিখ লেখার জন্য সরকারি নির্দেশ কবে জারি করা  হয়?- ১ জানুয়ারি ১৯৮৭।
বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতে নিচের লিঙ্কে যানঃ




Sunday, April 13, 2014

আপনার বন্ধুকে ভূতের ভয় খাওয়ান খুব সহজে !!!

এটা একটা android apps. তাই আপনার বন্ধুকে ভূতের ভয় খাওয়ানোর জন্য প্রথমে এই ছোট্টো apps টি download করে নিন।নিচের লিঙ্ক থেকে apps টি নামিয়ে নিন।


ডাউনলোড করুন

DOWNLOAD NOW!!!


ব্যবহার বিধিঃ 
১. প্রথমে উপরের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করুন।
২.ইন্সটল করে ওপেন করুন।
৩.সব সেটিং ঠিক করে সময় ঠিক করুন, যেমনঃ 30 sec
৪.এবার Start The Prank এ ক্লিক করে আপনার বন্ধুর হাতে দিন।
৫. আপনার বন্ধু গেম খেলুক আর নেট ব্রাউস করুক ঠিক সময়মত চমকে দিবে আপনার বন্ধুকে।
Note:  সাউন্ড ফুল রাখবেন।
সাবধানঃ  420 volt এর ঝটকায় বন্ধুর হাত থেকে মোবাইল পরে গেলে বিপদ তাই খাট বা সোফায় বসা অবস্থায় এই শয়তানীটা করবেন।




বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতে নিচের লিঙ্কে যানঃ






















পয়লা বৈশাখ এর উৎপত্তির ইতিহাস

পয়লা বৈশাখ বা পহেলা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বাংলা সনের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গেনববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়। ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙালিরাও এই উৎসবে অংশ নেয়। সে হিসেবে এটি বাঙালিদের একটি সর্বজনীন উৎসব। বিশ্বের সকল প্রান্তের সকল বাঙালি এ দিনে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়, ভুলে যাবার চেষ্টা করে অতীত বছরের সকল দুঃখ-গ্লানি। সবার কামনা থাকে যেন নতুন বছরটি সমৃদ্ধ ও সুখময় হয়। বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা একে নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করার উপলক্ষ্য হিসেবে বরণ করে নেয়। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে ১৪ই এপ্রিল অথবা ১৫ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালিত হয়। আধুনিক বা প্রাচীন যে কোন পঞ্জিকাতেই এই বিষয়ে মিল রয়েছে।
পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূলে 
বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৪ই এপ্রিল এই উৎসব পালিত হয়। বাংলা একাডেমী কর্তৃক নির্ধারিত আধুনিক পঞ্জিকা অনুসারে এই দিন নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এদিন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে।বাংলা দিনপঞ্জীর সঙ্গে হিজরী ও খ্রিস্টীয় সনের মৌলিক পার্থক্য হলো হিজরী সন চাঁদের হিসাবে এবং খ্রিস্টীয় সন ঘড়ির হিসাবে চলে। এ কারণে হিজরী সনে নতুন তারিখ শুরু হয় সন্ধ্যায় নতুন চাঁদের আগমনে। ইংরেজি দিন শুর হয় মধ্যরাতে। পহেলা বৈশাখ রাত ১২ টা থেকে শুরু না সূর্যদোয় থেকে থেকে শুরু এটা নিয়ে অনেকের দ্বিধাদ্বন্দ্ব আছে, ঐতিহ্যগত ভাবে সূর্যদোয় থেকে বাংলা দিন গণনার রীতি থাকলেও ১৪০২ সালের ১ বৈশাখ থেকে বাংলা একাডেমী এই নিয়ম বাতিল করে আন্তর্জাতিক রীতির সাথে সামঞ্জস্য রাখতে রাত ১২.০০টায় দিন গণনা শুরুর নিয়ম চালু হয়।

ইতিহাস

হিন্দু সৌর পঞ্জিকা অনুসারে বাংলা বারটি মাস অনেক আগে থেকেই পালিত হত। এই সৌর পঞ্জিকার শুরু হত গ্রেগরীয় পঞ্জিকায় এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় হতে। হিন্দু সৌর বছরের প্রথম দিন আসাম, বঙ্গ, কেরল, মনিপুর,নেপাল, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব, তামিল নাড়ু এবং ত্রিপুরার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকেই পালিত হত।এখন যেমন নববর্ষ নতুন বছরের সূচনার নিমিত্তে পালিত একটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে, এক সময় এমনটি ছিল না। তখন নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ আর্তব উৎসব তথা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে পালিত হত। তখন এর মূল তাৎপর্য ছিল কৃষিকাজ। প্রাযুক্তিক প্রয়োগের যুগ শুরু না হওয়ায় কৃষকদের ঋতুর উপরই নির্ভর করতে হত।

পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য পান্তা ইলিশ  
ভারতবর্ষে মুঘল সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর সম্রাটরা হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করত। কিন্তু হিজরি সন চাঁদের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তা কৃষি ফলনের সাথে মিলত না। এতে অসময়ে কৃষকদেরকে খজনা পরিশোধ করতে বাধ্য করতেহত। খাজনা আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। তিনি মূলত প্রাচীন বর্ষপঞ্জতে সংস্কার আনার আদেশ দেন। সম্রাটের আদেশ মতে তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজি সৌর সন এবং আরবি হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম বিনির্মাণ করেন। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ই মার্চ বা ১১ই মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ই নভেম্বর, ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়। আকবরের সময়কাল থেকেই পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন শুরু হয়। তখন প্রত্যেককে চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সকল খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে হত। এর পর দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে মিষ্টান্ন দ্বারা আপ্যায়ন করতেন। এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত। এই উৎসবটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয় যার রুপ পরিবর্তন হয়ে বর্তমানে এই পর্যায়ে এসেছে। তখনকার সময় এই দিনের প্রধান ঘটনা ছিল একটি হালখাতা তৈরি করা। হালখাতা বলতে একটি নতুন হিসাব বই বোঝানো হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে হালখাতা হল বাংলা সনের প্রথম দিনে দোকানপাঠের হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া। 
পুরান ঢাকার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালখাতা

গ্রাম, শহর বা বাণিজ্যিক এলাকা, সকল স্থানেই পুরনো বছরের হিসাব বই বন্ধ করে নতুন হিসাব বই খোলা হয়। হালখাতার দিনে দোকনদাররা তাদের ক্রেতাদের মিষ্টান্ন আপ্যায়ন করে থাকে। এই প্রথাটি এখনও অনেকাংশে প্রচলিত আছে, বিশেষত স্বর্ণের দোকানে।
আধুনিক নববর্ষ উদযাপনের খবর প্রথম পাওয়া যায় ১৯১৭ সালে। প্রথম মহাযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে সে বছর পহেলা বৈশাখে হোম কীর্ত্তণ ও পূজার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর ১৯৩৮ সালেও অনুরূপ কর্মকান্ডের উল্লেখ পাওযা যায়।পরবর্তী সময়ে ১৯৬৭ সনের আগে ঘটা করে পহেলা বৈশাখ পালনের রীতি তেমন একটা জনপ্রিয় হয় নি।
উৎসঃ wikipedia.com



বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতে নিচের লিঙ্কে যানঃ