Monday, June 23, 2014

বিসিএস এর নমুনা প্রশ্নপত্র (উত্তরসহ)

বিসিএস পরীক্ষার্থীদের ঘরে বসে চর্চার জন্য এই নমুনা প্রশ্নপত্রটি তৈরি করেছেন ৩১তম বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী ফারহানা জাহান।
নমুনা প্রশ্নপত্র 

সময়-১ ঘণ্টা    পূর্ণমান-১০০
[প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য এক (১) নম্বর এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫ নম্বর কাটা যাবে]
১. বচন ও লিঙ্গ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
ক. ধ্বনিতত্ত্বে খ. শব্দতত্ত্বে গ. বাক্যতত্ত্বে ঘ. কোনোটিই নয় 
২. খাঁটি বাংলায় কোন সন্ধি নেই?
ক. স্বর সন্ধি খ. ব্যঞ্জন সন্ধি গ. বিসর্গ সন্ধি ঘ. স্বর ও ব্যঞ্জন সন্ধি 
৩. কাজী নজরুল ইসলামের ‘জীবন বন্দনা’ কবিতাটি কত মাত্রার মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত? 
ক. ছয় মাত্রার খ. দশ মাত্রার গ. আট মাত্রার ঘ. চৌদ্দ মাত্রার 
৪. ‘কার্তুজ’ কোন ভাষার শব্দ? 
ক. ইংরেজি খ. ফারসি গ. আরবি ঘ. ফরাসি 
৫. আলাওলের ‘তোহফা’ কোন ধরনের কাব্য? 
ক. আত্মজীবনী খ. প্রণয়কাব্য গ. নীতিকাব্য ঘ. জঙ্গনামা 
৬. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত পত্রিকার নাম 
ক. সওগাত খ. মোসলেম ভারত গ. মাসিক মোহাম্মদী ঘ. কল্লোল 
৭. ‘মেছো’ শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় কী? 
ক. মাছ+ও খ. মেছ+ও গ. মাছি+উয়া>ও ঘ. মাছ+উয়া>ও 
৮. বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ কোনটি? 
ক. প্রভু যিশুর বাণী খ. কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ গ. ফুলমনি ও করুণার বিবরণ ঘ. গৌতম বুদ্ধের বাণী 
৯. রোমান্টিক কাব্যধারার প্রথম কবি কে?
ক. দৌলত কাজী খ. শাহ মুহম্মদ সগীর গ. মরদন ঘ. আব্দুল হাকিম 
১০. ‘নদী’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি? 
ক. মন্দাকিনী খ. সমুদ্রকান্তা গ. শ্রোতবহা ঘ. লহরী 
১১. ‘অপ’ কী ধরনের উপসর্গ? 
ক. সংস্কৃত খ. বাংলা গ. বিদেশি ঘ. মিশ্র
১২. ‘টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী। হাঁড়িতে ভাত নাহি নিতি আবেশী’ চর্যাপদের এ দুটো লাইন কোন কবির রচনা? 
ক. শবরীপা খ. লুইপা গ. ঢেগুনপা ঘ. কাহ্নপা 
১৩. ‘সমভিব্যাহার’ শব্দে উপসর্গের সংখ্যা? 
ক. চার খ. তিন গ. দুই ঘ. এক 
১৪.‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগ্ধারাটির অর্থ— 
ক. তীরে পৌঁছার ঝক্কি খ. সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি গ. মুমূর্ষু অবস্থা ঘ. আসন্ন বিপদ 
১৫. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস ‘১৯৭১’-এর লেখক কে? 
ক. হুমায়ূন আহমেদ খ. ইমদাদুল হক মিলন গ. আনিসুল হক ঘ. সৈয়দ শামসুল হক 
১৬. কোন চরিত্রটি ‘লালসালু’ উপন্যাসে নেই? 
ক. রহিমা খ. জমিলা গ. আমেনা ঘ. করিমা বিবি 
১৭. তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়—
ক. ১৯৪১ সালে খ. ১৯৪২ সালে গ. ১৮৫০ সালে ঘ. ১৮৪৩ সালে
১৮. ‘Patent’ শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো— 
ক. পিতামাতা খ. রোগী গ. ভাগ ঘ. কৃতিস্বত্ব 
১৯. কোনটি ঐতিহাসিক নাটক? 
ক. শর্মিষ্ঠা খ. রাজসিংহ গ. পলাশীর যুদ্ধ ঘ. রক্তাক্ত প্রান্তর 
২০. কখনো উপন্যাস লেখেননি— 
ক. কাজী নজরুল ইসলাম খ. জীবনানন্দ দাশ গ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ঘ. বুদ্ধদেব বসু 
২১. ৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ এবং ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ একত্রে ৫০০ টাকা হলে, সুদের হার কত? 
ক. ৫% খ. ৬% গ. ১০% ঘ. ১২%
২২. AB রেখাংশের ওপর P একটি বিন্দু হলে কোন সম্পর্কটি সব সময় প্রযোজ্য? 
ক. AP = PB খ. AB>AP গ. AB>AP+PB ঘ AP>PB
২৩. তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ১২৩। ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুটির গুণফল কত? 
ক. ৬২৫ খ. ৯০০ গ. ১৬৮০ ঘ. ১৬৪০ 
২৪. নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘণ্টায় ১০ ও ৫ কি.মি.। নদীপথে ৪৫ কি.মি. দীর্ঘপথ একবার অতিক্রম করে ফিরে আসতে কত ঘণ্টা সময় লাগবে? 
ক. ৯ ঘণ্টা খ. ১২ ঘণ্টা গ. ১০ ঘণ্টা ঘ. ১৮ ঘণ্টা 
২৫. ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১...ধারাটির দশম পদ কত? 
ক. ৪৫ খ. ৫৫ গ. ৬২ ঘ. ৬৫
২৬. দুইটি নল দ্বারা একটি চৌবাচ্চা ৮ মিনিটে পূর্ণ হয়। নল দুইটি খুলে দেওয়ার ৪ মিনিট পর প্রথম নলটি বন্ধ করে দেওয়ায় চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে আরও ৬ মিনিট লাগল। প্রতিটি নল দ্বারা পৃথকভাবে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে? 
ক. ১৮ মি. এবং ১২ মি. খ. ২৪ মি. এবং ১২ মি. গ. ১৫ মি. এবং ১২ মি. ঘ. ১০ মি. এবং ১৫ মি.
২৭. M সংখ্যক সংখ্যার গড় A এবং N সংখ্যক সংখ্যার গড় B হলে সবগুলো সংখ্যার গড় কত? 
২৮. a+b = 4 এবং a-b = 2 হলে a2+b2 এর মান কত?
ক. 5 খ. 10 গ. 15 ঘ. 20
২৯. যদি x+5y = 16 এবং x = -3y হয়, তাহলে y = কত?
ক. -24 খ. -2 গ. 8 ঘ. 2
৩০. কত?
ক. a+b+c 
৩১. এর মান কত?
৩২. x2-y2+2y-1 এর একটি উৎপাদক—
ক. x+y+1 খ. x-y গ. x+y-1 ঘ. x-y-1
৩৩. 1+2+3+4+...99 কত?
ক. 4650 খ. 4750 গ. 4850 ঘ. 4950
৩৪. একটি ৪৮ মিটার লম্বা খুঁটি ভেঙে গিয়ে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভূমির সঙ্গে ৩০০ কোণ উৎপন্ন করে। খুঁটিটি কত উঁচুতে ভেঙেছিল?
ক. ১৪ মিটার খ. ১৬ মিটার গ. ১৮ মিটার ঘ. ২০ মিটার 
৩৫. কোনো শ্রেণীর ৫৩ জন ছাত্রের মধ্যে ৩৬ জন ফুটবল খেলে, ১৮ জন ক্রিকেট খেলে এবং ১০ জন ফুটবল বা ক্রিকেট কোনোটিই খেলে না। কতজন ফুটবল এবং ক্রিকেট উভয়ই খেলে? 
ক. ১০ জন খ. ৯ জন গ. ১১ জন ঘ. ১২ জন 
৩৬. যদি x3+hx+10 = 0 এর একটি সমাধান 2 হয়, তবে h এর মান কত?
ক. -9 ক. 10 গ. 9 ঘ. 2
৩৭. P এর মান কত হলে 4x2-px+9 একটি পূর্ণ বর্গ হবে? 
ক. 10 খ. 9 গ. 17 ঘ. 12
৩৮. একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১৬ মিটার এবং অপর দুটি বাহুর প্রতিটি ১০ মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত? 
ক. ৩৬ বর্গমি. খ. ৪২ বর্গমি. গ. ৫০ বর্গমি. ঘ. ৪৮ বর্গমি.
৩৯. কোনটি সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র 
ক. ভূমি উচ্চতা 
খ. (ভূমি x উচ্চতা) 
গ. দৈর্ঘ্য x প্রস্থ ঘ. ২(দৈর্ঘ্য+প্রস্থ)
৪০. ২টা ১৫ মিনিটের সময় ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যে কত ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়? 
ক. ২৩.৫০ খ. ২২.৫০ 
গ. ২০০ ঘ. ২৩০
৪১. কোনটি রক্তের কাজ নয়? 
ক. হরমোন বিতরণ খ. ক্ষুদ্রান্ত থেকে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা গ. জারক রস বিতরণ করা ঘ. কলা থেকে ফুসফুসে বর্জ্য পদার্থ বহন করা 
৪২. চিন্তার সঙ্গে মস্তিষ্কের যে অংশের সম্পর্ক, তাকে বলা হয়—
ক. সেরিব্রাম খ. সেরিবেলাম গ. মেডুলা ঘ. স্পাইনাল কর্ড 
৪৩. কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি? 
ক. শূন্য মাধ্যমে খ. তরল মাধ্যমে গ. কঠিন মাধ্যমে ঘ. বায়বীয় মাধ্যমে
৪৪. কোন ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে? 
ক. পেট্রল ইঞ্জিন খ. ডিজেল ইঞ্জিন গ. রকেট ইঞ্জিন ঘ. বিমান ইঞ্জিনে 
৪৫. রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, তার নাম কী? 
ক. গামা রশ্মি খ. মৃদু রঞ্জন রশ্মি গ. আলোক তরঙ্গ ঘ. মাইক্রোওয়েভ
৪৬. সাদা আলো কোন তিনটি রঙের মিশ্রণ? 
ক. কমলা, হলুদ, আকাশি খ. লাল, কমলা, হলুদ গ. হলুদ, আকাশি, লাল ঘ. লাল, আকাশি, সবুজ 
৪৭. নিচের কোনটি সেমিকনডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী? 
ক. রাবার খ. জদর্মনিয়াম 
গ. গন্ধক ঘ. কাচ 
৪৮. ডায়োড সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত হয়—
ক. ক্যাপাসিটর হিসেবে 
খ. ট্রান্সফরমার হিসেবে 
গ. রেজিস্টার হিসেবে 
ঘ. রেক্টিফায়ার হিসেবে
৪৯. মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন? 
ক. ৭০% খ. ৭২% 
গ. ৭৩% ঘ. ৮০% 
৫০. ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে কী বলে? 
ক. ছায়াবৃত্ত খ. গুরুবৃত্ত গ. উষা ঘ. গোধূলি
৫১. পরমাণুর নিউক্লিয়াস কী কী থাকে? 
ক. ইলেকট্রন ও প্রোটন খ. নিউট্রন ও প্রোটন গ. নিউট্রন ও পজিট্রন ঘ. ইলেকট্রন ও পজিট্রন 
৫২. রেক্টিফাইড স্পিরিট হলো— 
ক. ৯০% ইথাইল অ্যালকোহল + ১০% পানি খ. ৮০% ইথাইল অ্যালকোহল + ১০% পানি গ. ৯০% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি ঘ. ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি 
৫৩. কোন মৌলিক অধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে? 
ক. ব্রোমিন খ. পারদ 
গ. আয়োডিন ঘ. জেনন
৫৪. আবহাওয়া ৯০% আর্দ্রতা মানে কী? 
ক. বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৯০% খ. ১০০ ভাগ বাতাসে ৯০ ভাগ জলীয় বাষ্প গ. বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০% ঘ. বাতাসের জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃষ্টিপাতের সময়ের ৯০% 
৫৫. পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন কত? 
ক. 9.8N খ. 98N 
গ. 980N ঘ. 0N
৫৬. পীট কয়লার বৈশিষ্ট্য হলো—
ক. মাটির অনেক গভীরে থাকে খ. ভেজা ও নরম গ. পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায় ঘ. দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনা অধিক 
৫৭. সংকর ধাতু পিতলের উপাদান—
ক. তামা ও দস্তা খ. তামা ও টিন গ. তামা ও নিকেল ঘ. তামা ও সিসা 
৫৮. কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়? 
ক. পেপসিন খ. এমাইলেজ গ. রেনিন ঘ. ট্রিপসিন 
৫৯. যে সর্বোচ্চ শ্রুতিসীমার ওপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে— 
ক. ৭৫ ডিবি খ. ১০৫ ডিবি গ. ৯০ ডিবি ঘ. ১২০ ডিবি 
৬০. হিমোগ্লোবিন কী জাতীয় পদার্থ? 
ক. আমিষ খ. স্নেহ গ. আয়োডিন ঘ. লৌহ 
৬১. বাংলাদেশের হরিণ প্রজননকেন্দ্র কোথায়? 
ক. খুলনা খ. বাগেরহাট 
গ. কক্সবাজার ঘ. চট্টগ্রাম 
৬২. স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের—
ক. ২ মার্চ খ. ২৩ মার্চ 
গ. ১০ মার্চ ঘ. ২৫ মার্চ
৬৩. বাংলাদেশ কোন সংস্থাটির সদস্য নয়? 
ক. OPEC খ. IMF গ. ILO 
ঘ. OIC
৬৪. বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয় কোন সালে? 
ক. ১৭০০ সাল খ. ১৭৬২ সালে গ. ১৭৬৫ সালে ঘ. ১৭৯৩ সালে
৬৫. বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ষষ্ঠ আঞ্চলিক কেন্দ্র কোনটি? 
ক. ময়মনসিংহ খ. রংপুর গ. বরিশাল ঘ. দিনাজপুর 
৬৬. রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে, সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে? 
ক. ৫২ খ. ৫৩ গ. ১২৩(২) ঘ. ১২৫
৬৭. সম্প্রতি কোথায় বৌদ্ধবিহারের সন্ধান পাওয়া গেছে? 
ক. বজ্রযোগিনী, মুন্সিগঞ্জ খ. সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ গ. টেকনাফ, কক্সবাজার ঘ. কালিয়াকৈর, গাজীপুর
৬৮. বাংলাদেশে বর্তমানে মোট কতটি স্থলবন্দর আছে? 
ক. ১১টি খ. ১৪টি গ. ১৮টি ঘ. ২১টি 
৬৯. বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার—
ক. যুক্তরাষ্ট্র খ. ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ. চীন ঘ. সৌদি আরব 
৭০. মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী? 
ক. সাংগ্রাই খ. বিষু 
গ. বৈসাবি ঘ. হোলি 
৭১. পাকিস্তান শাসনতান্ত্রিক পরিষদের ধারা বিবরণীতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি কে প্রথম করেছিলেন?
ক. হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী খ. এ কে ফজলুল হক গ. শেখ মুজিবুর রহমান ঘ. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত 
৭২. মিয়ানমারের রাজধানীর নাম কী? 
ক. নাইপিদো খ. কিয়াট 
গ. কাঠমান্ডু ঘ. ইয়াঙ্গুন 
৭৩. মঙ্গোলিয়ার পার্লামেন্টের নাম—
ক. হাউস অব ল খ. থুরাল গ. ডায়েট ঘ. হাউস অব কমন্স 
৭৪. ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ কোন দুটি রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে? 
ক. ভারত ও পাকিস্তান খ. ইসরায়েল ও জর্ডান গ. চীন ও তাইওয়ান ঘ. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া 
৭৫. কোন দেশটি ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত নয়? 
ক. ব্রাজিল খ. আর্জেন্টিনা গ. পেরু ঘ. পানামা 
৭৬. দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রার নাম কী? 
ক. ইয়েন খ. পেসো 
গ. ইউয়ান ঘ. উয়ন 
৭৭. মানব উন্নয়ন ২০১৩ অনুযায়ী মাথাপিছু আয়ে শীর্ষ দেশ— 
ক. যুক্তরাষ্ট্র খ. সুইজারল্যান্ড গ. কাতার ঘ. জাপান 
৭৮. শেনজেন চুক্তি হচ্ছে— 
ক. বাণিজ্য চুক্তি খ. অবাধ চলাচলসংক্রান্ত চুক্তি গ. কর হ্রাস চুক্তি ঘ. এর কোনোটিই নয় 
৭৯. হুগো চাভেজের প্রেসিডেন্টকালীন শাসনকাল কোনটি? 
ক. ১৯৯৮-২০১৩ খ. ২০০০-২০১৩ গ. ১৯৯৯-২০১৩ ঘ. ১৯৯৭-২০০০
৮০. ফর্মুলা ওয়ান কী? 
ক. শিশুখাদ্য খ. টিভি সিরিয়াল গ. এইডসবিরোধী প্রচারণা ঘ. কার রেসিং প্রতিযোগিতা 
৮১. Army : Logistic 
ক. Business : Strategy খ. War : Logic গ. Soldiers : Students ঘ. Team : Individual.
৮২. ‘The rains have set in’—
ক. বৃষ্টি পড়া শুরু হয়েছে খ. বৃষ্টি পড়ছে গ. বৃষ্টি আরম্ভ হয়েছে 
ঘ. বর্ষা আরম্ভ হয়েছে 
৮৩. ‘Maiden Speech’ means—
ক. First Speech খ. Last Speech গ. Late Speech ঘ. Early Speech
৮৪. Choose the correct sentence :
ক. I, you and he are present খ. You, he and I are present গ. You, he and I am present ঘ. He, you and I are present
৮৫. Would you mind___?
ক. to open the door খ. opened the door গ. opens the door ঘ. Opening the door
৮৬. ‘Paradise Lost’ attempted to__
ক. Justify the ways of man to God খ. Justify the ways of God to man গ. Show that the satan and God have equal power ঘ. Explain why good and evil are necessary
৮৭. Choose the correct synonym for ‘Gratis’___
ক. gratifying খ. free গ. gracious ঘ. with charge
৮৮. I am not good___translation.
ক. in খ. about গ. with ঘ. at
৮৯. The antonym for ‘Devoid’___ 
ক. latent খ. full of গ. evident ঘ. suspecting
৯০. He is quite __ in dealing with people 
ক. unsubtle খ. Imprudent of গ. diplomatic ঘ. impolite
৯১. ‘Few and far between’ means— 
ক. too far খ. in between গ. rarely ঘ. long distance
৯২. ‘Who can do it?’ Passive form is__ 
ক. By whom can it be did খ. By can whom it be done গ. By whom could it be done ঘ. By whom can it be done
৯৩. What is the meaning of the word ‘euphemism’? 
ক. Vague idea খ. inoffensive expression গ. Verbal play ঘ. Wise saying
৯৪. Which of the following sentence is a correct proverb? 
ক. Fools rush in where angels fear to tread খ. Fools rush in where an angel fears to tread গ. A fool rush in where an angel fears in tread ঘ. Fools rush in where the angles fear to tread
৯৫. Now a days many villages are lit ___ electricity. 
ক. with খ. by গ. in ঘ. with
৯৬. Witch is the noun of the word ‘Beautiful’? 
ক. Beautiful খ. Beauty গ. Beautifully ঘ. Beauteous.
৯৭. Only after I ___ home, did I remember my doctor’s appointment. 
ক. going খ. go 
গ. went ঘ. gone
৯৮. I divided the money ___ the two children. 
ক. over খ. in between গ. Among ঘ. Between
৯৯. A rolling stone gathers no moss. What ‘rolling’ is?
ক. Gerund খ. Verbal noun গ. Adjective ঘ. participle
১০০. Just now he ___ his dinner but he says he’ll see you when he is finish 
ক. is having খ. has had গ. was having ঘ. had.

Monday, April 28, 2014

আসছে নতুন ওষুধনীতিঃ ফার্মাসিস্টদের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ


নিম্ম ও ভেজাল ওষুধ প্রতিরোধ এবং ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় ওষুধনীতির চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রণয়ন করা এ নীতিমালা অনুযায়ী একটি মূল্য-নির্ধারণী কমিটির মাধ্যমে সরকার ওষুধের দাম নির্ধারণ করে দেবে। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের তত্ত্বাবধানে গঠন করা হবে ‘হসপিটাল ফার্মেসি’ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে হবে ‘কমিউনিটি ফার্মেসি’শক্তিশালী করা হবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরকে। আদায়কৃত রাজস্বের ১৫ শতাংশের অংশীদার হবেন এ প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। এ ছাড়া সব বিভাগীয় শহরে ওষুধ পরীক্ষাগার স্থাপন করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির অর্থনীতি প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা ওষুধ নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন করেছি। এ জন্য ওষুধ কোম্পানির মালিক, বিক্রেতাসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেছি।’
ওষুধের নিম্মমান, নকল, ভেজাল ও চোরাচালান করা ওষুধ বিক্রি ও ব্যবহার প্রতিরোধে এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ওষুধ বিক্রি বন্ধ করতে নীতিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের তত্ত্বাবধানে ‘হসপিটাল ফার্মেসি’ এবং নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমা নির্দেশ করে শহরের ক্ষেত্রে ওয়ার্ডভিত্তিক ও গ্রামের ক্ষেত্রে প্রতি গ্রামে পর্যায়ক্রমে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের পরিচালনায় একটি করে ‘কমিউনিটি ফার্মেসি’ প্রতিষ্ঠা করা হবে। ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় যাতে কোনো রোগী ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য সারা দেশের হসপিটাল ফার্মেসি ও কমিউনিটি ফার্মেসিগুলোর মাধ্যমে জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়া মনিটরিং নেটওয়ার্ক এবং একটি জাতীয় ওষুধ তথ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।
এতে আরো বলা হয়, ১০০ বা তার বেশি শয্যাবিশিষ্ট দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের ফার্মাকোলজি বিভাগে ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়া তদারকির জন্য ‘ফোকাল পয়েন্ট’ নির্ধারণ করা হবে। কোনো একটি মেডিক্যাল কলেজকে এ বিষয়ক জাতীয় কেন্দ্র ঘোষণা করে এ কার্যক্রম শক্তিশালী করা হবে।
সব স্বীকৃত পদ্ধতির ওষুধের সর্বোত্তম তাত্ত্বিক পরিচয়কে চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্ট উভয়ের কাছে সহজ করার লক্ষ্যে ওষুধের বাণিজ্যিক নামের পাশাপাশি স্পষ্টভাবে জিনেরিক নামে উৎপাদন ও বিপণন করতে হবে বলেও প্রস্তাবিত নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করবে এবং প্রতি বছর এ মূল্য পর্যালোচনা করা হবে। এ মূল্য-নির্ধারণী কমিটিতে সরকার, উৎপাদক কোম্পানি ও ভোক্তার যথাযথ প্রতিনিধিত্ব থাকবে।
কোম্পানির অজান্তে বাজারে ওষুধের দামের ওঠানামা প্রতিরোধে জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অধিবীক্ষণ কার্যকরভাবে বাড়ানো হবে এবং এতে ভোক্তার প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এমনকি দেশে উৎপাদিত ও আমদানি করা আয়ুর্বেদীয়, ইউনানি, হার্বাল, হোমিওপ্যাথি ও বায়োকেমিক ওষুধের মূল্য অধিদফতরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও ড্রাগ কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা কোনো ভোক্তা নিম্মমানের নকল ভেজাল চোরাচালান করা ওষুধ ব্যবহারে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি যাতে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন তা নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যমান আইন সংশোধন করা হবে।
কোনো ওষুধ নিম্মমানের প্রমাণিত হলে ড্রাগ কোর্টে দ্রুত অভিযোগ দাখিলের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিম্মমানের, নকল ও ভেজাল ওষুধ এবং ফুড সাপ্লিমেন্টের নামে ওষুধজাতীয় পণ্যের অননুমোদিত উৎপাদক ও বিক্রেতা, সেই সঙ্গে এগুলো দিয়ে চিকিৎসাকারী চিকিৎসক ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইনের সংস্কার করা হবে।
এ ছাড়া উত্তম উৎপাদন কৌশল (জিএমপি) অমান্যকারী প্রতিষ্ঠান, নকল ও ভেজাল ওষুধ বিতরণ, অনুমোদনহীন বিজ্ঞাপন প্রচার করলে বা সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা লঙ্ঘন করলে ড্রাগ কোর্টের মধ্যে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হবে।
জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, অপ্রয়োজনীয় কিংবা অত্যাধিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিশিষ্ট ওষুধ (অ্যালোপ্যাথিক, আয়ুর্বেদীয়, ইউনানি, হার্বাল, হোমিওপ্যাথিক) বাতিল করা হবে। যেসব ওষুধে ফলকোডিন ও কোডিন আছে সেগুলোও বাতিল হবে। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর হবে খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, ভেজাল প্রতিরোধ মূল্য নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরকে ‘খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন’ অধিদফতরে রূপান্তর করা হবে। প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ, প্রসাধনী, গৃহস্থালিতে ব্যবহার্য সব রাসায়নিক, ফুড সাপ্লিমেন্ট, হাঁস-মুরগির খাদ্য, প্রি-বায়োটিক, মেডিক্যাল ডিভাইসেস, সার্জিক্যাল ইকুইপমেন্ট, পশুখাদ্য, প্রাণিসম্পদ চিকিৎসার ওষুধ, ভিটামিন প্রি-মিক্স ইত্যাদি এ অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণভুক্ত হবে। ওষুধের বিজ্ঞাপন ও প্রচার নিয়ন্ত্রণ সব পদ্ধতির ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে জনসমক্ষে ও গণমাধ্যমে ওষুধের সব ধরনের বিজ্ঞাপন, প্রচার ও আলোচনা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনো বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। ওষুধের বিপণনে অসত্য, অযাচিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য রোধে সংশ্লিষ্ট উৎপাদন ও ভোক্তাদের সমিতি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ‘কোড অব ফার্মাসিউটিক্যালস মার্কেটিং ইথিকস’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হবে। দোকানে যথাযথ সংরক্ষণ পদ্ধতি নিশ্চিতকরণ
তাপ সংবেদনশীল ওষুধের কার্যকারিতা ও গুণগত মান বজায় রাখতে ওষুধের দোকানে রেফ্রিজারেটর রাখা এবং এর উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের যথাযথ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সব পাইকারি ও খুচরা দোকান এবং কোম্পানির সংরক্ষণাগার বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ক্যাটাগরির ফার্মাসিস্টদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। তাপ সংবেদনশীল ওষুধের তালিকা করে তা সব পাইকারি ও খুচরা ওষুধের দোকানে এবং কোম্পানির সংরক্ষণাগারে প্রদর্শন করতে হবে। এ ওষুধগুলোয় নির্দিষ্ট চিহ্ন ও রং ব্যবহার করতে হবে। শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদনের সামর্থ্য অনুযায়ী শ্রেণীবিন্যাস করা হবে। নির্ধারিত ক্যাটাগরির ওপর ভিত্তি করে কোন প্রতিষ্ঠানকে কী ধরনের ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি দেওয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকবে।
দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো উচ্চপ্রযুক্তির কোনো অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ বিদেশি কোম্পানির সনদের আওতায় উৎপাদন ও বাজারজাত করতে পারবে। তবে এ ওষুধ তালিকাভুক্ত সাতটি উন্নত দেশের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া) যে কোনো একটিতে বাজারজাতের উদ্দেশ্যে নিবন্ধিত হতে হবে। তবে এ প্রক্রিয়ায় কোনো বিদেশি কোম্পানি অনুমতি পাবে না। বাংলাদেশে উৎপাদন কারখানা আছে এমন স্থানীয় বা বিদেশি ওষুধ কোম্পানিকে মাশুল দেওয়ার ব্যবস্থায় তাদের পছন্দমতো কোনো অ্যালোপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক উৎপাদন কারখানায় ওষুধ উৎপাদনের অনুমিত দেওয়া হবে।
শুধু রফতানির উদ্দেশ্যে কোনো বিদেশি কোম্পানি এ দেশের কোনো কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিভিত্তিতে ওষুধ উৎপাদন করতে পারবে। উৎপাদিত ওষুধ কোনোভাবেই স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করা যাবে না। সব স্বীকৃত পদ্ধতির ওষুধের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। ওষুধ প্রশাসনের কর্মীরা রাজস্ব আদায়ের ১৫ শতাংশ পাবেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরকে সরকারের একটি কার্যকর ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে নীতিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক পেশাগতভাবে শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী তাদের আদায় করা রাজস্বের ১৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব দেওয়া হবে। অধিদফতরে আইনগত সহায়তা সেল (লিগ্যাল সেল) গঠন করা হবে।
নকল ভেজাল ও নিম্মমানের ওষুধ উৎপাদন, বিতরণ, মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে অধিদফতরে একটি কোয়াসি জুডিশিয়াল বেঞ্চ গঠন করা হবে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা ছাড়া কাউকে ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে এরই মধ্যে যাদের এমন অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেগুলোর নবায়ন বন্ধ করা হবে। অবশ্য কারখানায় প্রয়োজনীয় সুবিধা সৃষ্টি করতে পারলে উৎপাদনের অনুমতি দেওয়া হবে। দেশের জরুরি প্রয়োজনে বা জনস্বাস্থ্য রক্ষায় যে কোনো কোম্পানিকে সরকার যে কোনো ওষুধ উৎপাদনের নির্দেশ দিতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো তা উৎপাদনে বাধ্য থাকবে। সব বিভাগীয় শহরে ওষুধ পরীক্ষাগার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, উপযুক্ত যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবল নিয়ে গঠিত দেশের জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাগারকে (এনসিএল) অবশ্যই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন করার কথা বলা হয়েছে জাতীয় ওষুধ নীতিমালার খসড়ায়। সব বিভাগে ওষুধ পরীক্ষাগারের শাখা স্থাপন করতে হবে। অধিদফতরের বর্ধিত জনবলের মাধ্যমে কারখানা ও বাজার থেকে বেশিসংখ্যক নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে। ওষুধ পরীক্ষায় অর্জিত ফির ১৫ শতাংশ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে নিয়োজিত জনবলকে দেওয়া হবে।
বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত পরীক্ষাগারকেও ওষুধ পরীক্ষার অনুমোদন দেওয়া হবে। তবে এ পরীক্ষাগারকে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অনুমোদিত ও জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের নিবিড় অধিবীক্ষণের সম্মত শর্তে লাইসেন্স প্রাপ্ত হতে হবে। ওষুধ কারখানায় যোগ্য জনবল নিয়োগ অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ কারখানায় বাধ্যতামূলকভাবে প্রয়োজনীয়সংখ্যক গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট, রসায়নবিদ, প্রাণ-রসায়নবিদ, অনুজীব বিজ্ঞানী, জীব-প্রযুক্তিবিদ, জীব-প্রকৌশলী ও ফার্মাকোলজিস্টদের নিয়োগ করতে হবে। ছোট ও মাঝারি আকারের কারখানার জন্য যোগ্য জনবলের সর্বনিম্ম সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কৌশল অনুসরণ নিশ্চিত জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অধিদফতরের বাইরের জিএমপি (উত্তম উৎপাদন কৌশল) বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়ে কারখানার উৎপাদন সুবিধা মূল্যায়ন করা হবে। উচ্চ মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদন নিশ্চিত করতে জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের যোগ্য কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেও জিএমপি ইন্সপেক্টর নিয়োগ দেওয়া হবে।
এ ছাড়া প্রস্তাবিত নীতিমালায় বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা সংশোধন, অধিক হারে রফতানির জন্য উৎসাহ ও প্রণোদনা, আমদানি করা ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ, সব পদ্ধতির ওষুধের তালিকা প্রণয়ন, পরিবেশ দূষণ ও ইটিপির বিষয়ে ধারা রয়েছে।
উৎসঃ অর্থনীতি প্রতিদিন।

Sunday, April 27, 2014

পাল্টে যাচ্ছে বিসিএস পরীক্ষার ধরন

পাল্টে যাচ্ছে বিসিএস পরীক্ষার ধরন। আর ৩৫তম পরীক্ষাই হতে পারে নতূন নিয়মে। ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৭৪৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) দ্রুত বিজ্ঞপ্তি জারি করবে। বর্তমান ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে পিএসসি’র সুপারিশকৃত ৮ হাজার ৩৭৭ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের কার্যক্রমও চূড়ান্ত পর্যায়ে। এছাড়া বর্তমান অর্থবছরে দ্বিতীয় শ্রেণীর ১৫, তৃতীয় শ্রেণীর ৭০ এবং চতুর্থ শ্রেণীর ২৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের লক্ষ্য রয়েছে।
যে নিয়মে হতে পারে আগামী সব বিসিএস পরীক্ষা: পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, নতুন পরীক্ষা পদ্ধতিতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে ৩০০ নম্বরে। সময় দেয়া হবে তিন ঘণ্টা। আগে ১০০ নম্বরের জন্য এক ঘণ্টা সময় দেয়া হতো। প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে পরীক্ষার ফি ধরা হয়েছে ৭০০ টাকা। আগে ছিল ৫০০ টাকা। উপ-জাতিদের জন্য এই ফি ধরা হয়েছে ২৫০ টাকা। যা আগে ছিল ৫০ টাকা।
নতুন প্রস্তাবে লিখিত পরীক্ষায় সব বিষয়ের প্রথম পত্রের পরীক্ষা হবে ২০০ নম্বরে। সময় তিন ঘণ্টা। আর দ্বিতীয় পত্র ১০০ নম্বরে। সময় থাকবে তিন ঘণ্টা। বর্তমান নিয়মে যেখানে প্রত্যেক বিষয়ে ১০০ নম্বরে তিন ঘণ্টা সময় দেয়া হয়।
নতুন পদ্ধতিতে মৌখিক পরীক্ষা সর্বনিম্ন নম্বর বিবেচনা করা হবে ৫০ শতাংশ। বর্তমানে যেটা ৪০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। সেটি নিয়ে আমরা কাজ করছি। বর্তমান নিয়ম-নীতিগুলো ইংরেজিতে লেখা। আর নতুন প্রস্তাবটি বাংলায় লেখা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ‘৩৫তম বিসিএস থেকেই নতুন পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া হবে। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই আমরা কাজ করছি। আর নতুন প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হয়ে গেলেই ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞাপন দেয়া হবে।’ এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি)। নতুন প্রস্তাবটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠিয়েছে পিএসসি। সেখান থেকে মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। সেখান থেকে প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির জন্য পাঠানো হবে। এরপর যাবে রাষ্ট্রপতির কাছে।
উৎসঃ bd24live.com

বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতেনিচের  লিঙ্কে যানঃ
·                   https://www.facebook.com/groups/1492148344346593/

Monday, April 21, 2014

নিবন্ধন জটিলতায় ৫ হাজার ফার্মাসিস্ট: সমস্যা সমাধানে ১৫ দিনের আলটিমেটাম

নিবন্ধন জটিলতায় ভুগছেন দেশের পাঁচ হাজার ফার্মাসিস্ট। আর এ জটিলতায় থমকে গেছে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন। গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি নিয়েও নিছক নিবন্ধন না থাকায় নামমাত্র বেতনে চাকরি করতে বাধ্য হচ্ছেন এসব ফার্মাসিস্ট। আর উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নিবন্ধনহীনতা।
দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন নেওয়া এসব ফার্মাসিস্ট নিবন্ধন জটিলতার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। গড়েছেন ফার্মাসিস্ট গ্রাজুয়েটস অ্যাসোসিয়েশন। নিবন্ধনের জন্য পরীক্ষা এড়ানোর দাবিতে গতকাল তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একত্রিত হয়ে সম্মেলন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তারা জানিয়েছেন, ‘ফার্মেসি অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬’ অমান্য করে ফার্মেসি কাউন্সিল পরীক্ষা নেওয়ার নামে নবীন ফার্মসিস্টদের নিবন্ধনে সংকট সৃষ্টি করেছে। তারা জানিয়েছেন, ১৯৭৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির এক হাজার নিবন্ধন দেওয়া হলেও তারপর থেকেই নানা জটিলতায় আটকে গেছে প্রায় পাঁচ হাজার ফার্মাসিস্টের নিবন্ধন। এ সম্মেলন থেকে নিবন্ধন জটিলতা কাটাতে ১৫ দিনের  আলটিমেটামও দেওয়া হয়েছে।
সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, ওষুধশিল্পে বাংলাদেশ প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। কানাডা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় কোম্পানির ফার্মাসিস্ট বাংলাদেশের। বাইরের দেশে যাওয়ার জন্য ফরম পূরণ করতে গেলেই রেজিস্ট্রেশন নম্বর লাগে কিন্তু ফার্মেসি কাউন্সিল কর্তৃক নিবন্ধন না দেওয়ায় এবং অহেতুক জটিলতা তৈরি করায় দেশের ফার্মাসিস্টরা বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে যেতে পারছেন না। তিনি জানান, ভারত, পাকিস্তান, নেপালের ফার্মাসিস্টরা বেশি বেতন পাচ্ছে। অথচ এখানে মাত্র ১০ হাজার বা কিছু ক্ষেত্রে তারও কম বেতনে চাকরি শুরু করতে হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশন জটিলতার কারণে ফার্মাসিস্টদের দক্ষ এবং মানবসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার ফার্মাসিস্ট রয়েছে। রেজিস্ট্রেশন না থাকায় চাকরি ক্ষেত্রে গেলে তাদের অর্ধেক বেতন দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ বলেন, ফার্মাসিস্টদের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার নামে আইন অমান্য করে পরীক্ষার ফি নেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক রেজিস্ট্রেশনের বিপরীতে পরীক্ষার দেওয়ার জন্য এক হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে, যা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাই পূর্বে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ফি বাবদ নেওয়া টাকার হিসাব জনসম্মুখে তুলে ধরার দাবি জানান তিনি।
আ ব ম ফারুক আরো বলেন, ফার্মেসি অর্ডিনেন্স-১৯৭৬ অনুযায়ী ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টদের এ, বি ও সি ক্যাটাগরির রেজিস্ট্রেশন দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের স্বীকৃত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি ফার্ম পাসকৃত সবাইকেই ‘এ’ ক্যাটাগরির ফার্মাসিস্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সম্মেলনে বলা হয়, ১৯৭৬ সালে থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির রেজিস্ট্রেশনের জন্য কোনো পরীক্ষা ছাড়াই গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টদেরকে রেজিস্ট্রেশন দিয়ে এসেছে। কিন্তু ২০০৪ সাল থেকে ফার্মেসি কাউন্সিল বেআইনিভাবে আইন লঙ্ঘন করে নিবন্ধন দেওয়ার আগে একটি আলাদা পরীক্ষার নিয়ম চালু করে।
সম্মেলনের বক্তাদের অভিযোগ, যদি আলাদাভাবে পরীক্ষা নেওয়া জরুরি হতো তাহলে কাউন্সিল আইনটি সংশোধন করে নিত, তা না করে গায়ের জোরে পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করেছে। এটি আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ছাত্ররা পরীক্ষা দেওয়ার ভয়ে ভীত নয়, কিন্তু তা হতে হবে আইন অনুযায়ী।
তারা জানান, এ ছাড়া ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, নার্স প্রভৃতি পেশার বেলায়ও এফিলিয়েটেড প্রতিষ্ঠান থেকে
পাস করার পর তাদের যথাযথ কাউন্সিল থেকে পরীক্ষা ছাড়াই রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া ফার্মাসিস্টরা বলেন, ‘আমরা অন্যায়ভাবে কোনো পরীক্ষা দেব না। প্রায় দুই হাজার পরীক্ষা দিয়ে আমরা পাস করেছি। পরীক্ষা দিতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে তা আইন অনুযায়ী হতে হবে। এ ছাড়া সংগঠনের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ আজ সোমবার থেকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান। অন্যথায় পরে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা ফার্মাসিস্ট পরিষদের আহ্বায়ক সেলিম আজাদ চৌধুরী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে লুৎফর কবিরসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট।



উৎসঃ অর্থনীতি প্রতিদিন। 

বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতেনিচের  লিঙ্কে যানঃ
·                   https://www.facebook.com/groups/1492148344346593/

Friday, April 18, 2014

ফার্মাসিস্ট রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষা নিয়ে আইনি জটিলতা কেন?

সম্প্রতি বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল এ গ্রেডভুক্ত ফার্মাসিস্টদের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার নিমিত্তে আয়োজিত পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশ করেছে। স্বভাবতই যেকোনো পরীক্ষা পদ্ধতি ছাত্রছাত্রীদের কাছে উদ্বেগজনক এবং ভয়ের কারণ। উক্ত পরীক্ষা নিয়ে ওষুধ পেশাজীবী এবং ছাত্রছাত্রীদের মাঝে অহেতুক একধরনের বিতর্ক, মতানৈক্য এবং বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি এমন কটু পর্যায়ে চলে গিয়েছে যে স্পষ্টত দুটি দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একটি পক্ষের যুক্তি হল সকল গ্রেডভুক্ত ফার্মাসিস্টদের পরীক্ষার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে। অপরপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী শুধুমাত্র সি গ্রেডভুক্ত ফার্মাসিস্টদের ফার্মেসি কাউন্সিল কতৃক আয়োজিত পরীক্ষার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন পেতে হবে। সেক্ষেত্রে এ এবং বি গ্রেড ফার্মাসিস্টদের পরীক্ষা ব্যাতিরেকে সরাসরি রেজিস্ট্রেশন দেওয়া আইনত সিদ্ধ। সাধারণত ফার্মাসিস্ট পেশা নিয়ে জনসাধারণের নিতান্তই স্বল্পজ্ঞানের পরিধি, সরকারের ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিয়ে অদূরদর্শী ওষুধনীতি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সেবাকর্মীর অনীহাই ফার্মাসিস্টদের পেশাগত বিকাশে মুখ্য অন্তরায়। অপরদিকে পেশাগত বিভাজন আমাদের উত্তরোত্তর পিছনের দিকে ধাবিত করছে। এমন সময়ে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত পেশাগত দ্বন্দ্বকে উসকে দেয়ার শামিল। জাতিগতভাবে দুটি দলে বিভক্ত রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব যেমন আমাদের উন্নতির পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তেমনি পেশাগত এই দ্বন্দ্বের ফলে মানসম্পন্ন ওষুধের উৎপাদন,বিতরণ,সংরক্ষণ এবং নিরাপদ ব্যবহার আজ হুমকির সম্মুখীন।
স্বাধিনতা উত্তরকালে ফার্মেসি পেশার যথাযথ বিকাশ এবং জনগণকে স্বল্পমূল্যে নিরাপদ ওষুধের ব্যবহার নিশ্চিতকরণে ১৯৭৬ সালে এক অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ফার্মেসি কাউন্সিল গঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ফার্মেসি পেশার সার্বিক দিক দেখভালের দায়িত্ব তাদের হাতে ন্যস্ত করা হয়। তাই সামগ্রিকভাবে দেশের ফার্মেসি শিক্ষার ব্যবস্থা, অনুমোদন, মূল্যায়ন, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি তার নিত্যনৈমিত্তিক কাজ। যার সুফল আজ দেশবাসী ওষুধখাতে অবলোকন করছেন। স্বল্প আয়ের দেশের তালিকায় একমাত্র বাংলাদেশই ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এছাড়াও বিদেশে ওষুধ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রার তহবিলে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। পেশাগতভাবে ফার্মাসিস্টবৃন্দ এই কৃতিত্বের দাবীদার। ফার্মেসি কাউন্সিল অধ্যাদেশ এবং ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিই মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। অধ্যাদেশের ২৩ নং অনুচ্ছেদে ফার্মাসিস্টদের তিনটি গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যারা সরকার অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসি বিষয়ে সম্মান ডিগ্রীপ্রাপ্ত তাদের এ গ্রেড, সরকারি বা বেসরকারি বিভিন্ন ইন্সটিটিউট থেকে ফার্মেসি বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রীধারীদের বি গ্রেড এবং বিজ্ঞানে মাধ্যমিক পাশকৃত দুই বছরের কর্মঅভিজ্ঞতা সম্পন্নদের সি গ্রেডভুক্ত। তৎকালীন সময়ে এ এবং বি গ্রেডভুক্ত ফার্মাসিস্টদের পড়াশুনা শেষ করার পাশাপাশি আলাদাভাবে কোন পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি হয়নি বিধায় তাদের সরাসরি রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়েছে। যেমন চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে কোন একটি অনুমোদিত মেডিকেল কলেজে পড়ালেখা শেষ করলেই তাদের সনদ দেয়া হয়, আলাদাভাবে আর কোন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়না। অপরদিকে সি গ্রেডভুক্তদের প্রথম থেকেই ফার্মেসি কাউন্সিল আয়োজিত পরীক্ষার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন নিতে হয়েছে যা এখনও বিদ্যমান। ফার্মেসি অধ্যাদেশের ২৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে ‘ যে কোন ব্যক্তি রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপযুক্ত হবেন যদি অনুমোদিত কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসি বিষয়ে ডিগ্রী থাকে অথবা ডিপ্লোমা ডিগ্রীপ্রাপ্ত, যা কাউন্সিল থেকে পূর্ব অনুমোদনপ্রাপ্ত’। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে কাউন্সিল এ গ্রেডভুক্তদের জন্যও লেখাপড়া সমাপ্ত করে আলাদাভাবে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা করে। যা নিয়ে ব্যাপক আন্দোলন করেন তখন ছাত্রছাত্রীরা। ফলে এ গ্রেডভুক্তদের রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষা বাতিল বিষয়ে আইনি লড়াই চলতে থাকে এবং রেজিস্ট্রেশন দেয়া বন্ধ থাকে। পুনরায় ২০১৪ পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করে রেজিস্ট্রেশন দেয়া শুরু হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল কেন এই আইনি জটিলতা?
যে কোন কারিগরি পেশার ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যেমন আইনজীবীদের বার কাউন্সিলের পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়, বেসরকারি শিক্ষকদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে স্কুল কলেজে চাকুরী পেতে হয়, গাড়িচালকদের ক্ষেত্রে পরীক্ষা দিয়েই সনদ নিতে হয় ইত্যাদি। অপরদিকে চিকিৎসক অপ্রতুলতা থাকায় আমাদের দেশে তাদের জন্য আলাদাভাবে পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়নি। তাহলে ফার্মাসিস্টদের জন্য বর্তমান পেশাগত দক্ষতায় আদৌ এই রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন আছে কি? ফার্মাসিস্টদের কর্মপরিধি বর্তমানে অত্যন্ত সীমিত। ওষুধের উৎপাদন এবং বিপণনের মধ্যেই তাদের কাজ সীমাবদ্ধ। ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে তাদের ভূমিকা নেই। প্রত্যেকটি উন্নত দেশে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধের বিতরণ, সংরক্ষণ এবং নিরাপদ ব্যবহারের লক্ষ্যে অধিকাংশ স্নাতক সম্মানধারীরা হসপিটাল কিংবা কমিউনিটি ফার্মাসিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। আপনি চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এবং ফার্মাসিস্টের তত্বাবধান ব্যতিত কোনভাবেই ওষুধ ক্রয়, বিক্রয় ও ব্যবহার করতে পারবেন না। তাই ঐ সব দেশে ফার্মেসি শিক্ষা ব্যবস্থা দুই ধরনের। যারা হাসপাতালে কিংবা ওষুধের দোকানে কাজ করবেন তাদের ছয় বছরের পেশাগত ফার্মেসি ফার্ম ডি ডিগ্রী দেয়া হয় (চিকিৎসা শিক্ষার মত) এবং পাশাপাশি লাইসেন্সপ্রাপ্ত হতে আলাদা রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থাও আছে (চিকিৎসকদের ক্ষেত্রেও)। তবেই একজন ফার্মাসিস্ট ক্লিনিক্যাল ক্ষেত্রে তাদের পেশায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। কিন্তু যারা ওষুধ নিয়ে গবেষণা কিংবা ওষুধ উৎপাদনে জড়িত তাদের ক্ষেত্রে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রী দিয়েই তাদের পেশা আরম্ভ করতে পারেন। বিষয়টি এমন যে কোন গাড়ির চালককে অবশ্যই পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে সনদ অর্জন করতে হবে এবং তা হালনাগাদও করতে হবে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর। কিন্তু কোন মেকানিকের গাড়ি চালনার পেশাগত সনদ না থাকলেও চলে। অর্থাৎ যেসব ফার্মাসিস্ট ক্লিনিক্যাল ক্ষেত্রে পেশাগত দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে এবং তা নির্দিষ্ট সময়ে হালনাগাদও করতে হবে। কিন্তু যারা ওষুধ উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট তাদের আলাদাভাবে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা নেই। শুধু ফার্মেসি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী থাকলেই তাদের পেশাগত দক্ষতা দেখানো সম্ভব। যা রীতিমত আমাদের দেশে সফলতার সাথে প্রমাণ করেছে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বর্তমান পরিস্থিতিতে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার এই মুহূর্তে প্রয়োজনীয়তা নেই। কারণ উন্নত বিশ্বের মত হসপিটাল কিংবা কমিউনিটি ফার্মাসিস্ট নামক কোন পদ আমাদের দেশে নেই। আর এটি নিয়ে সরকারের আদৌ কোন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও নেই। তাই ফার্মাসিস্টদের একটি মাত্র কর্মক্ষেত্র ওষুধের উৎপাদন। যেখানে কাজ করার জন্য আলাদাভাবে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা অর্থহীন। জাতীয় ওষুধনীতি ২০০৫ এর ৮ ধারা অনুযায়ী ওষুধের উৎপাদনে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ফার্মেসি বিষয়ে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। তাই উক্ত পরীক্ষা ব্যবস্থা ফার্মেসি পেশায় আগন্তুক সকল ছাত্রছাত্রীকে অহেতুক দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে যা নৈতিকভাবেও প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রী উক্ত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে তাদের ক্ষেত্রে কি হবে, এই বিষয়ে ফার্মেসি কাউন্সিলের কোন নির্দেশনা নেই। আর একজন ছাত্র উক্ত পরীক্ষায় পাশ করলেই কি তারা হসপিটাল কিংবা ক্লিনিক্যাল ফার্মাসিস্ট হিসেবে কাজ করার ক্ষেত্র পাবে? উন্নত বিশ্বে যেসব ছাত্রছাত্রী রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনা তাদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানিগুলোতে চাকুরী পাবার নিশ্চয়তা থাকে। কোন ছাত্রছাত্রীকেই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকতে হয়না। কিন্তু আমরা এমন একটি সময়ে এই পরীক্ষার ব্যবস্থা করছি যেখানে সব স্নাতক ডিগ্রীধারীই একটি মাত্র কর্মক্ষেত্রের জন্য লড়াই করতে হয়। তাদের আলাদাভাবে বাছাই করার কোন প্রয়োজন নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি কখনও সরকারি নিয়মনীতি অনুযায়ী অন্যান্য কর্মক্ষেত্রগুলো উন্মুক্ত হয় তবে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকতে হবে। অনেকেই বলে থাকেন আমাদের দেশে এসব কর্মক্ষেত্র নেই বলে কি আমরা রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে পারবনা? বিদেশেও অনেকে এই রেজিস্ট্রেশন কাজে লাগাতে পারবে? এধ রনের বক্তব্যের সঠিক উত্তর হল, আপনার সনদ থাকা সত্ত্বেও বহির্বিশ্বের প্রতিটি দেশে আলাদাভাবে তাদের স্বীয় পরীক্ষা ব্যবস্থায় উত্তীর্ণ হয়েই আপনি পেশায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। আমাদের দেশের সনদ তাদের কাছে মূল্যহীন। তাই এধরনের ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী না থেকে সঠিক পথে আসুন।
তাই অবিলম্বে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষা নিয়ে ভ্রান্ত জটিলতা নিরসন করতে হবে। পেশাগত দিক উন্মোচনের পরিবর্তে আমরা একটি কারিগরি বিষয়কে বিভাজনের দিকে ঠেলে দিচ্ছি। একজন ছাত্র যে আজকে ফার্মেসি পড়তে আসবে সে সারাক্ষণ ভয় এবং আশংকায় পর্যবসিত থাকবে, আদৌ সে রেজিস্ট্রেশন পাবে কিনা? একটি চাকুরী পাবে কিনা? শিক্ষক হিসেবে তার ছাত্রছাত্রী এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হোক কেউই বোধহয় তা চাইবে না। ফার্মেসি কাউন্সিল কি পারেনা সরকারের ওষুধনীতি এবং স্বাস্থ্যনীতিতে পরিবর্তন এনে ক্লিনিক্যাল ক্ষেত্রে আমাদের দ্বার উন্মুক্ত করতে? জাতীয় ওষুধনীতি ২০০৫ এর ৬ (খ), (গ) ধারা অনুযায়ী চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রবিহীন কোন ওষুধ বিতরণ এবং ব্যবহার করা যাবেনা। অন্যদিকে একই ধারায় বৈধ পেশাগত লাইসেন্সধারীই শুধু ওষুধ বিতরণ, সংগ্রহ এবং বিক্রয়ের অনুমতি পাবে। তাই সুস্পষ্ট নীতিমালা এবং কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেই এ গ্রেডভুক্ত ফার্মাসিস্টদের এ ক্ষেত্রে পেশাগতভাবে কাজে লাগিয়ে ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা যেতে পারে। শুধুমাত্র সেক্ষেত্রেই এই রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা আবশ্যক হবে। অন্যথায় অনেকেই বলে থাকেন এই রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা মানে ফার্মেসি কাউন্সিলের অতিরিক্ত টাকা আদায়ের উৎস! প্রতি বছর দুই হাজার শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে কতিপয় ব্যক্তিমহলের অর্থ চাহিদা পূরণ হয়? একজন ছাত্র অত্যন্ত আক্ষেপের সুরে অভিযোগ, যেখানে ওষুধ কোম্পানিতে মামা চাচার ভিড়ে একটি চাকুরী পেতেই অনেক কষ্ট পোহাতে হচ্ছে সেখানে এ ধরনের পরীক্ষা পদ্ধতি তৈরি করে আমাদের বেকার জীবনকে দীর্ঘায়িত করা ছাড়া আর কিছুই নয়। যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ প্রথমে কাজের একটি ক্ষেত্র সৃষ্টি করুন তারপর রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ভূত ছাত্রছাত্রীদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিন। অন্যথায় বর্তমান কর্মক্ষেত্রকে সংকুচিত করার অধিকার আপনাদের নেই। যৌক্তিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে পেশার মানোন্নয়ন সম্ভব। কিন্তু অযাচিত সিদ্ধান্তের ফলে বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রীদের পেশাগতভাবে হুমকির সম্মুখীন করা একটি অনৈতিক কাজ।
মোঃ আব্দুল মুহিত
সহকারী অধ্যাপক, ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি এন্ড ফার্মাকোলজি বিভাগ, ঢাবি
এবং পিএইচডি গবেষক, জাপান


বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতেনিচের  লিঙ্কে যানঃ
·                   https://www.facebook.com/groups/1492148344346593/