Monday, April 21, 2014

নিবন্ধন জটিলতায় ৫ হাজার ফার্মাসিস্ট: সমস্যা সমাধানে ১৫ দিনের আলটিমেটাম

নিবন্ধন জটিলতায় ভুগছেন দেশের পাঁচ হাজার ফার্মাসিস্ট। আর এ জটিলতায় থমকে গেছে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন। গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি নিয়েও নিছক নিবন্ধন না থাকায় নামমাত্র বেতনে চাকরি করতে বাধ্য হচ্ছেন এসব ফার্মাসিস্ট। আর উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নিবন্ধনহীনতা।
দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন নেওয়া এসব ফার্মাসিস্ট নিবন্ধন জটিলতার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। গড়েছেন ফার্মাসিস্ট গ্রাজুয়েটস অ্যাসোসিয়েশন। নিবন্ধনের জন্য পরীক্ষা এড়ানোর দাবিতে গতকাল তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একত্রিত হয়ে সম্মেলন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তারা জানিয়েছেন, ‘ফার্মেসি অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬’ অমান্য করে ফার্মেসি কাউন্সিল পরীক্ষা নেওয়ার নামে নবীন ফার্মসিস্টদের নিবন্ধনে সংকট সৃষ্টি করেছে। তারা জানিয়েছেন, ১৯৭৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির এক হাজার নিবন্ধন দেওয়া হলেও তারপর থেকেই নানা জটিলতায় আটকে গেছে প্রায় পাঁচ হাজার ফার্মাসিস্টের নিবন্ধন। এ সম্মেলন থেকে নিবন্ধন জটিলতা কাটাতে ১৫ দিনের  আলটিমেটামও দেওয়া হয়েছে।
সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, ওষুধশিল্পে বাংলাদেশ প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। কানাডা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় কোম্পানির ফার্মাসিস্ট বাংলাদেশের। বাইরের দেশে যাওয়ার জন্য ফরম পূরণ করতে গেলেই রেজিস্ট্রেশন নম্বর লাগে কিন্তু ফার্মেসি কাউন্সিল কর্তৃক নিবন্ধন না দেওয়ায় এবং অহেতুক জটিলতা তৈরি করায় দেশের ফার্মাসিস্টরা বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে যেতে পারছেন না। তিনি জানান, ভারত, পাকিস্তান, নেপালের ফার্মাসিস্টরা বেশি বেতন পাচ্ছে। অথচ এখানে মাত্র ১০ হাজার বা কিছু ক্ষেত্রে তারও কম বেতনে চাকরি শুরু করতে হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশন জটিলতার কারণে ফার্মাসিস্টদের দক্ষ এবং মানবসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার ফার্মাসিস্ট রয়েছে। রেজিস্ট্রেশন না থাকায় চাকরি ক্ষেত্রে গেলে তাদের অর্ধেক বেতন দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ বলেন, ফার্মাসিস্টদের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার নামে আইন অমান্য করে পরীক্ষার ফি নেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক রেজিস্ট্রেশনের বিপরীতে পরীক্ষার দেওয়ার জন্য এক হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে, যা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাই পূর্বে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ফি বাবদ নেওয়া টাকার হিসাব জনসম্মুখে তুলে ধরার দাবি জানান তিনি।
আ ব ম ফারুক আরো বলেন, ফার্মেসি অর্ডিনেন্স-১৯৭৬ অনুযায়ী ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টদের এ, বি ও সি ক্যাটাগরির রেজিস্ট্রেশন দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের স্বীকৃত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি ফার্ম পাসকৃত সবাইকেই ‘এ’ ক্যাটাগরির ফার্মাসিস্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সম্মেলনে বলা হয়, ১৯৭৬ সালে থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির রেজিস্ট্রেশনের জন্য কোনো পরীক্ষা ছাড়াই গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টদেরকে রেজিস্ট্রেশন দিয়ে এসেছে। কিন্তু ২০০৪ সাল থেকে ফার্মেসি কাউন্সিল বেআইনিভাবে আইন লঙ্ঘন করে নিবন্ধন দেওয়ার আগে একটি আলাদা পরীক্ষার নিয়ম চালু করে।
সম্মেলনের বক্তাদের অভিযোগ, যদি আলাদাভাবে পরীক্ষা নেওয়া জরুরি হতো তাহলে কাউন্সিল আইনটি সংশোধন করে নিত, তা না করে গায়ের জোরে পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করেছে। এটি আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ছাত্ররা পরীক্ষা দেওয়ার ভয়ে ভীত নয়, কিন্তু তা হতে হবে আইন অনুযায়ী।
তারা জানান, এ ছাড়া ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, নার্স প্রভৃতি পেশার বেলায়ও এফিলিয়েটেড প্রতিষ্ঠান থেকে
পাস করার পর তাদের যথাযথ কাউন্সিল থেকে পরীক্ষা ছাড়াই রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া ফার্মাসিস্টরা বলেন, ‘আমরা অন্যায়ভাবে কোনো পরীক্ষা দেব না। প্রায় দুই হাজার পরীক্ষা দিয়ে আমরা পাস করেছি। পরীক্ষা দিতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে তা আইন অনুযায়ী হতে হবে। এ ছাড়া সংগঠনের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ আজ সোমবার থেকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান। অন্যথায় পরে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা ফার্মাসিস্ট পরিষদের আহ্বায়ক সেলিম আজাদ চৌধুরী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে লুৎফর কবিরসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট।



উৎসঃ অর্থনীতি প্রতিদিন। 

বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতেনিচের  লিঙ্কে যানঃ
·                   https://www.facebook.com/groups/1492148344346593/

Friday, April 18, 2014

ফার্মাসিস্ট রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষা নিয়ে আইনি জটিলতা কেন?

সম্প্রতি বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল এ গ্রেডভুক্ত ফার্মাসিস্টদের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার নিমিত্তে আয়োজিত পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশ করেছে। স্বভাবতই যেকোনো পরীক্ষা পদ্ধতি ছাত্রছাত্রীদের কাছে উদ্বেগজনক এবং ভয়ের কারণ। উক্ত পরীক্ষা নিয়ে ওষুধ পেশাজীবী এবং ছাত্রছাত্রীদের মাঝে অহেতুক একধরনের বিতর্ক, মতানৈক্য এবং বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি এমন কটু পর্যায়ে চলে গিয়েছে যে স্পষ্টত দুটি দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একটি পক্ষের যুক্তি হল সকল গ্রেডভুক্ত ফার্মাসিস্টদের পরীক্ষার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে। অপরপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী শুধুমাত্র সি গ্রেডভুক্ত ফার্মাসিস্টদের ফার্মেসি কাউন্সিল কতৃক আয়োজিত পরীক্ষার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন পেতে হবে। সেক্ষেত্রে এ এবং বি গ্রেড ফার্মাসিস্টদের পরীক্ষা ব্যাতিরেকে সরাসরি রেজিস্ট্রেশন দেওয়া আইনত সিদ্ধ। সাধারণত ফার্মাসিস্ট পেশা নিয়ে জনসাধারণের নিতান্তই স্বল্পজ্ঞানের পরিধি, সরকারের ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিয়ে অদূরদর্শী ওষুধনীতি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সেবাকর্মীর অনীহাই ফার্মাসিস্টদের পেশাগত বিকাশে মুখ্য অন্তরায়। অপরদিকে পেশাগত বিভাজন আমাদের উত্তরোত্তর পিছনের দিকে ধাবিত করছে। এমন সময়ে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত পেশাগত দ্বন্দ্বকে উসকে দেয়ার শামিল। জাতিগতভাবে দুটি দলে বিভক্ত রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব যেমন আমাদের উন্নতির পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তেমনি পেশাগত এই দ্বন্দ্বের ফলে মানসম্পন্ন ওষুধের উৎপাদন,বিতরণ,সংরক্ষণ এবং নিরাপদ ব্যবহার আজ হুমকির সম্মুখীন।
স্বাধিনতা উত্তরকালে ফার্মেসি পেশার যথাযথ বিকাশ এবং জনগণকে স্বল্পমূল্যে নিরাপদ ওষুধের ব্যবহার নিশ্চিতকরণে ১৯৭৬ সালে এক অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ফার্মেসি কাউন্সিল গঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ফার্মেসি পেশার সার্বিক দিক দেখভালের দায়িত্ব তাদের হাতে ন্যস্ত করা হয়। তাই সামগ্রিকভাবে দেশের ফার্মেসি শিক্ষার ব্যবস্থা, অনুমোদন, মূল্যায়ন, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি তার নিত্যনৈমিত্তিক কাজ। যার সুফল আজ দেশবাসী ওষুধখাতে অবলোকন করছেন। স্বল্প আয়ের দেশের তালিকায় একমাত্র বাংলাদেশই ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এছাড়াও বিদেশে ওষুধ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রার তহবিলে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। পেশাগতভাবে ফার্মাসিস্টবৃন্দ এই কৃতিত্বের দাবীদার। ফার্মেসি কাউন্সিল অধ্যাদেশ এবং ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিই মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। অধ্যাদেশের ২৩ নং অনুচ্ছেদে ফার্মাসিস্টদের তিনটি গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যারা সরকার অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসি বিষয়ে সম্মান ডিগ্রীপ্রাপ্ত তাদের এ গ্রেড, সরকারি বা বেসরকারি বিভিন্ন ইন্সটিটিউট থেকে ফার্মেসি বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রীধারীদের বি গ্রেড এবং বিজ্ঞানে মাধ্যমিক পাশকৃত দুই বছরের কর্মঅভিজ্ঞতা সম্পন্নদের সি গ্রেডভুক্ত। তৎকালীন সময়ে এ এবং বি গ্রেডভুক্ত ফার্মাসিস্টদের পড়াশুনা শেষ করার পাশাপাশি আলাদাভাবে কোন পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি হয়নি বিধায় তাদের সরাসরি রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়েছে। যেমন চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে কোন একটি অনুমোদিত মেডিকেল কলেজে পড়ালেখা শেষ করলেই তাদের সনদ দেয়া হয়, আলাদাভাবে আর কোন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়না। অপরদিকে সি গ্রেডভুক্তদের প্রথম থেকেই ফার্মেসি কাউন্সিল আয়োজিত পরীক্ষার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন নিতে হয়েছে যা এখনও বিদ্যমান। ফার্মেসি অধ্যাদেশের ২৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে ‘ যে কোন ব্যক্তি রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপযুক্ত হবেন যদি অনুমোদিত কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসি বিষয়ে ডিগ্রী থাকে অথবা ডিপ্লোমা ডিগ্রীপ্রাপ্ত, যা কাউন্সিল থেকে পূর্ব অনুমোদনপ্রাপ্ত’। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে কাউন্সিল এ গ্রেডভুক্তদের জন্যও লেখাপড়া সমাপ্ত করে আলাদাভাবে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা করে। যা নিয়ে ব্যাপক আন্দোলন করেন তখন ছাত্রছাত্রীরা। ফলে এ গ্রেডভুক্তদের রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষা বাতিল বিষয়ে আইনি লড়াই চলতে থাকে এবং রেজিস্ট্রেশন দেয়া বন্ধ থাকে। পুনরায় ২০১৪ পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করে রেজিস্ট্রেশন দেয়া শুরু হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল কেন এই আইনি জটিলতা?
যে কোন কারিগরি পেশার ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যেমন আইনজীবীদের বার কাউন্সিলের পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়, বেসরকারি শিক্ষকদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে স্কুল কলেজে চাকুরী পেতে হয়, গাড়িচালকদের ক্ষেত্রে পরীক্ষা দিয়েই সনদ নিতে হয় ইত্যাদি। অপরদিকে চিকিৎসক অপ্রতুলতা থাকায় আমাদের দেশে তাদের জন্য আলাদাভাবে পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়নি। তাহলে ফার্মাসিস্টদের জন্য বর্তমান পেশাগত দক্ষতায় আদৌ এই রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন আছে কি? ফার্মাসিস্টদের কর্মপরিধি বর্তমানে অত্যন্ত সীমিত। ওষুধের উৎপাদন এবং বিপণনের মধ্যেই তাদের কাজ সীমাবদ্ধ। ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে তাদের ভূমিকা নেই। প্রত্যেকটি উন্নত দেশে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধের বিতরণ, সংরক্ষণ এবং নিরাপদ ব্যবহারের লক্ষ্যে অধিকাংশ স্নাতক সম্মানধারীরা হসপিটাল কিংবা কমিউনিটি ফার্মাসিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। আপনি চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এবং ফার্মাসিস্টের তত্বাবধান ব্যতিত কোনভাবেই ওষুধ ক্রয়, বিক্রয় ও ব্যবহার করতে পারবেন না। তাই ঐ সব দেশে ফার্মেসি শিক্ষা ব্যবস্থা দুই ধরনের। যারা হাসপাতালে কিংবা ওষুধের দোকানে কাজ করবেন তাদের ছয় বছরের পেশাগত ফার্মেসি ফার্ম ডি ডিগ্রী দেয়া হয় (চিকিৎসা শিক্ষার মত) এবং পাশাপাশি লাইসেন্সপ্রাপ্ত হতে আলাদা রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থাও আছে (চিকিৎসকদের ক্ষেত্রেও)। তবেই একজন ফার্মাসিস্ট ক্লিনিক্যাল ক্ষেত্রে তাদের পেশায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। কিন্তু যারা ওষুধ নিয়ে গবেষণা কিংবা ওষুধ উৎপাদনে জড়িত তাদের ক্ষেত্রে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রী দিয়েই তাদের পেশা আরম্ভ করতে পারেন। বিষয়টি এমন যে কোন গাড়ির চালককে অবশ্যই পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে সনদ অর্জন করতে হবে এবং তা হালনাগাদও করতে হবে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর। কিন্তু কোন মেকানিকের গাড়ি চালনার পেশাগত সনদ না থাকলেও চলে। অর্থাৎ যেসব ফার্মাসিস্ট ক্লিনিক্যাল ক্ষেত্রে পেশাগত দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে এবং তা নির্দিষ্ট সময়ে হালনাগাদও করতে হবে। কিন্তু যারা ওষুধ উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট তাদের আলাদাভাবে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা নেই। শুধু ফার্মেসি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী থাকলেই তাদের পেশাগত দক্ষতা দেখানো সম্ভব। যা রীতিমত আমাদের দেশে সফলতার সাথে প্রমাণ করেছে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বর্তমান পরিস্থিতিতে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার এই মুহূর্তে প্রয়োজনীয়তা নেই। কারণ উন্নত বিশ্বের মত হসপিটাল কিংবা কমিউনিটি ফার্মাসিস্ট নামক কোন পদ আমাদের দেশে নেই। আর এটি নিয়ে সরকারের আদৌ কোন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও নেই। তাই ফার্মাসিস্টদের একটি মাত্র কর্মক্ষেত্র ওষুধের উৎপাদন। যেখানে কাজ করার জন্য আলাদাভাবে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা অর্থহীন। জাতীয় ওষুধনীতি ২০০৫ এর ৮ ধারা অনুযায়ী ওষুধের উৎপাদনে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ফার্মেসি বিষয়ে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। তাই উক্ত পরীক্ষা ব্যবস্থা ফার্মেসি পেশায় আগন্তুক সকল ছাত্রছাত্রীকে অহেতুক দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে যা নৈতিকভাবেও প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রী উক্ত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে তাদের ক্ষেত্রে কি হবে, এই বিষয়ে ফার্মেসি কাউন্সিলের কোন নির্দেশনা নেই। আর একজন ছাত্র উক্ত পরীক্ষায় পাশ করলেই কি তারা হসপিটাল কিংবা ক্লিনিক্যাল ফার্মাসিস্ট হিসেবে কাজ করার ক্ষেত্র পাবে? উন্নত বিশ্বে যেসব ছাত্রছাত্রী রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনা তাদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানিগুলোতে চাকুরী পাবার নিশ্চয়তা থাকে। কোন ছাত্রছাত্রীকেই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকতে হয়না। কিন্তু আমরা এমন একটি সময়ে এই পরীক্ষার ব্যবস্থা করছি যেখানে সব স্নাতক ডিগ্রীধারীই একটি মাত্র কর্মক্ষেত্রের জন্য লড়াই করতে হয়। তাদের আলাদাভাবে বাছাই করার কোন প্রয়োজন নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি কখনও সরকারি নিয়মনীতি অনুযায়ী অন্যান্য কর্মক্ষেত্রগুলো উন্মুক্ত হয় তবে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকতে হবে। অনেকেই বলে থাকেন আমাদের দেশে এসব কর্মক্ষেত্র নেই বলে কি আমরা রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে পারবনা? বিদেশেও অনেকে এই রেজিস্ট্রেশন কাজে লাগাতে পারবে? এধ রনের বক্তব্যের সঠিক উত্তর হল, আপনার সনদ থাকা সত্ত্বেও বহির্বিশ্বের প্রতিটি দেশে আলাদাভাবে তাদের স্বীয় পরীক্ষা ব্যবস্থায় উত্তীর্ণ হয়েই আপনি পেশায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। আমাদের দেশের সনদ তাদের কাছে মূল্যহীন। তাই এধরনের ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী না থেকে সঠিক পথে আসুন।
তাই অবিলম্বে রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষা নিয়ে ভ্রান্ত জটিলতা নিরসন করতে হবে। পেশাগত দিক উন্মোচনের পরিবর্তে আমরা একটি কারিগরি বিষয়কে বিভাজনের দিকে ঠেলে দিচ্ছি। একজন ছাত্র যে আজকে ফার্মেসি পড়তে আসবে সে সারাক্ষণ ভয় এবং আশংকায় পর্যবসিত থাকবে, আদৌ সে রেজিস্ট্রেশন পাবে কিনা? একটি চাকুরী পাবে কিনা? শিক্ষক হিসেবে তার ছাত্রছাত্রী এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হোক কেউই বোধহয় তা চাইবে না। ফার্মেসি কাউন্সিল কি পারেনা সরকারের ওষুধনীতি এবং স্বাস্থ্যনীতিতে পরিবর্তন এনে ক্লিনিক্যাল ক্ষেত্রে আমাদের দ্বার উন্মুক্ত করতে? জাতীয় ওষুধনীতি ২০০৫ এর ৬ (খ), (গ) ধারা অনুযায়ী চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রবিহীন কোন ওষুধ বিতরণ এবং ব্যবহার করা যাবেনা। অন্যদিকে একই ধারায় বৈধ পেশাগত লাইসেন্সধারীই শুধু ওষুধ বিতরণ, সংগ্রহ এবং বিক্রয়ের অনুমতি পাবে। তাই সুস্পষ্ট নীতিমালা এবং কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেই এ গ্রেডভুক্ত ফার্মাসিস্টদের এ ক্ষেত্রে পেশাগতভাবে কাজে লাগিয়ে ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা যেতে পারে। শুধুমাত্র সেক্ষেত্রেই এই রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা আবশ্যক হবে। অন্যথায় অনেকেই বলে থাকেন এই রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ব্যবস্থা মানে ফার্মেসি কাউন্সিলের অতিরিক্ত টাকা আদায়ের উৎস! প্রতি বছর দুই হাজার শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে কতিপয় ব্যক্তিমহলের অর্থ চাহিদা পূরণ হয়? একজন ছাত্র অত্যন্ত আক্ষেপের সুরে অভিযোগ, যেখানে ওষুধ কোম্পানিতে মামা চাচার ভিড়ে একটি চাকুরী পেতেই অনেক কষ্ট পোহাতে হচ্ছে সেখানে এ ধরনের পরীক্ষা পদ্ধতি তৈরি করে আমাদের বেকার জীবনকে দীর্ঘায়িত করা ছাড়া আর কিছুই নয়। যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ প্রথমে কাজের একটি ক্ষেত্র সৃষ্টি করুন তারপর রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষার ভূত ছাত্রছাত্রীদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিন। অন্যথায় বর্তমান কর্মক্ষেত্রকে সংকুচিত করার অধিকার আপনাদের নেই। যৌক্তিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে পেশার মানোন্নয়ন সম্ভব। কিন্তু অযাচিত সিদ্ধান্তের ফলে বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রীদের পেশাগতভাবে হুমকির সম্মুখীন করা একটি অনৈতিক কাজ।
মোঃ আব্দুল মুহিত
সহকারী অধ্যাপক, ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি এন্ড ফার্মাকোলজি বিভাগ, ঢাবি
এবং পিএইচডি গবেষক, জাপান


বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতেনিচের  লিঙ্কে যানঃ
·                   https://www.facebook.com/groups/1492148344346593/

বিসিএস বাংলাদেশ বিষয়াবলী (মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলন)

১. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯৭১ সালে।
২. ভাষা আন্দোলন হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯৫২ সালে।
৩. ৬ দফা আন্দোলন হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯৬৬ সালে।
৪. ১৯৭০ সালের নির্বাচনে কোন দল বিজয়ী হয়?
উত্তরঃ আওয়ামী লীগ (প্রতীক নৌকা)
৫. ১৯৭১ সালের কত তারিখে পাকিস্তানি বাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়?
উত্তরঃ ২৫ মার্চ রাতে।
৬. অপারেশন সার্চলাইট কী?
উত্তরঃ পাকিস্তানি বাহিনীর চালানো ২৫শে মার্চ গণহত্যা।
৭. স্বাধীনতার ঘোষক কে?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর পক্ষে মেজর জিয়াউর রহমান।
৮. স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয় কত তারিখে?
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ।
৯. পাকিস্তান রাষ্ট্রের জনম হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯৪৭ সালে।
১০. বাংলাদেশ পাকিস্তানের শাসনে ছিল কত বছর?
উত্তরঃ ২৩ বছর।
১১. মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা কে ছিলেন?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১২. পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে কত তারিখে?
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর।
১৩. পাকিস্তানি বাহিনী কোথায় আত্মসমর্পণ করে?
উত্তরঃ রেসকোর্স ময়দানে।
১৪. রেসকোর্স ময়দানের বর্তমান নাম কী?
উত্তরঃ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।
১৫. মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয় কত তারিখে?
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল।
১৬. মুজিবনগর সরকার শপথগ্রহণ করে কত তারিখে?
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল।
১৭. মুজিবনগর সরকারের আরেক নাম কী?
উত্তরঃ অস্থায়ী বা প্রবাসী সরকার।
১৮. মুজিবনগরের পূর্বনাম কী?
উত্তরঃ বৈদ্যনাথ তলা।
১৯. মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
উত্তরঃ মেহেরপুর জেলা।
২০. বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কি?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
২১. বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির নাম কী?
উত্তরঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
২২. বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?
উত্তরঃ তাজউদ্দিন আহমদ।
২৩. মুক্তিবাহিনী গঠন করা হয় কত তারিখে?
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ১১ই জুলাই।
২৪. মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতির নাম কী?
উত্তরঃ মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী
২৫. মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
উত্তরঃ লে. কর্নেল, এমএ. রব।
২৬. মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে কয়টি সেক্টর ছিল?
উত্তরঃ ১১টি।
২৭. ঢাকা কত নং সেক্টর-এর অধীনে ছিল?
উত্তরঃ ২নং।
২৮. চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
উত্তরঃ ১নং।
২৯. নৌ-কমান্ড কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
উত্তরঃ ১০ নং।
৩০. সিলেট কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
উত্তর ঃ ৪ ও ৫নং।
৩১. রংপুর কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
উত্তরঃ ৬নং।
৩২. ৭নং সেক্টরের অধীনে।
উত্তরঃ রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা।
৩৩. ১১ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
উত্তরঃ টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলা।
৩৪. জেড ফোর্স-এর অধিনায়ক কে ছিলেন?
উত্তরঃ মেজর জিয়াউর রহমান
৩৫. এস ফোর্স-এর অধিনায়ক ছিলেন কে?
উত্তর মেজর কে, এম, শফিউল্লাহ্
৩৬. কে ফোর্স-এর অধিনায়ক ছিলেন কে?
উত্তরঃ মেজর খালেদ মোশাররফ।
৩৭. মুক্তিফৌজ কী?
উত্তরঃ বাঙালি সামরিক অফিসার ও সৈন্যদের নিয়ে গঠিত বাহিনীকে মুক্তিফৌজ বলা হয়।
৩৮. কাদেরিয়া বাহিনী গঠন করেন কে?
উত্তর ঃ বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।
৩৯. মায়া বাহিনী গঠন করেন কে?
উত্তরঃ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।
৪০. মুক্তিযোদ্ধাদের সবচেয়ে প্রিয় শ্লোগান কী ছিল?
উত্তরঃ জয় বাংলা।
৪১. মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে কত মানুষ আশ্রয় নেয়?
উত্তরঃ প্রায় এক কোটি।
৪২. পাকিস্তানি বাহিনীর কয়েকটি সহযোগী সংগঠনের নাম লেখ?
উত্তরঃ শান্তি কমিটি, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস।
৪৩. শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস কত তারিখে পালন করা হয়?
উত্তরঃ ১৪ই ডিসেম্বর।
৪৪. ১৯৭১ সালে শহীদ হওয়া কয়েকজন বুদ্ধিজীবির নাম লেখ?
উত্তরঃ অধ্যাপক গোবিচন্দচন্দ্র দেব, অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, সাংবাদিক সেলিনা পারভিন, ডা. ফজলে রাববী।
৪৫. মিত্র বাহিনী কারা?
উত্তরঃ যুদ্ধকালীন ভারতীয় সহায়তাকারী বাহিনীকে মিত্রবাহিনী বলে।
৪৬. যৌথ বাহিনী গঠন করা হয় কত তারিখে?
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর।
৪৭. ১৬ই ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ দলিলে পাকিস্তানের পক্ষে কে স্বাক্ষর করে?
উত্তরঃ জেনারেল নিয়াজী।
৪৮. ১৬ই ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে কে স্বাক্ষর করে?
উত্তরঃ যৌথ বাহিনীর প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
৪৯. বাংলাদেশের বিজয় দিবস কত তারিখে পালন করা হয়?
উত্তরঃ ১৬ই ডিসেম্বর।
৫০. মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল কত মাস?
উত্তরঃ নয় মাস।
৫১. মুক্তিযুদ্ধে কত মানুষ প্রাণ হারায়?
উত্তরঃ ৩০ লক্ষ।
৫২. মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক পুরস্কারের নাম কী?
উত্তরঃ বীরশ্রেষ্ঠ।
৫৩. মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য কতজনকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি দেওয়া হয়?
উত্তরঃ ৭জনকে।
৫৪. দ্বিতীয় বীরত্বসূচক পুরস্কারের নাম কী?
উত্তরঃ বীর উত্তম।
৫৫. তৃতীয় বীরত্বসূচক পুরস্কারের নাম কী?
উত্তরঃ বীর-বিক্রম।
৫৬. চতুর্থ বীরত্বসূচক পুরস্কারের নাম কী?
উত্তরঃ বীর-প্রতীক।
বিঃদ্রঃ এই ব্লগ এর সব পোস্ট পেতে ফেসবুকে আমাদের সাথে জয়েন করুন। জয়েন করতেনিচের  লিঙ্কে যানঃ
·                   https://www.facebook.com/groups/1492148344346593/